বাঁশ-কঞ্চির শহিদ মিনারে আদিবাসী শিশুদের শ্রদ্ধা



স্থায়ী শহিদ মিনার না থাকায় বাবুডাইং আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থীরা বাঁশ-কঞ্চি দিয়ে বানানো শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়ে ভাষা আন্দোলনে শহিদদের স্মরণ করেছে। একুশের সকালে প্রভাতফেরী শেষে নিজেদের তৈরী শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানায় তারা। 
 শনিবার সকালে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বাবুডাইং গ্রামে অবস্থিত আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থীরা বাঁশ-কঞ্চি দিয়ে বানানো শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়ে ভাষা আন্দোলনে শহিদদের স্মরণ করেছে।
বেলা ১১ টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা (প্রভাতফেরী) বের করা হয়। গ্রামের পথ ঘুরে শোভাযাত্রাটি আবারো বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়। এরপর প্রথমে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা বাঁশ কঞ্চি দিয়ে তৈরী অস্থায়ী শহিদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে একে একে শিক্ষার্থীরা শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানান। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূর জানান, বাবুডাইং আলোর পাঠশালায় স্থায়ী কোনো শহিদ মিনার নেই। অথচ ২০০৮ সালের পর থেকে প্রতি বছর ঘটা করে এখানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবস উদযাপন করা হয়। একুশে ফেব্রুয়ারি আগে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে শিক্ষার্থীরা বাঁধ কঞ্চি কেটে শহিদ মিনার তৈরী করে। শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে সুসজ্জিত করে এবং বেদিতে আল্পনা আঁকে। শিক্ষার্থীরা স্বতস্ফুর্তভাবে এসব করে ভাষা আন্দোলনের শহিদ স্মরণ করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ / নিজস্ব প্রতিবেদক / ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬