১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ৯০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের মৃত্যুতে বিএনপির শোক না জানানো ও জানাজায় শরিক না হওয়াকে স্বাভাবিকভাবে দেখছেন না তার চতুর্থ ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী। দ্য রিপোর্টকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমান আযমী বলেন, ‘শুধু আমার কাছে নয়, আমার বাবার মৃত্যুতে বিএনপির নীরব ভূমিকা সবার কাছেই বিস্ময়কর মনে হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে আমি রাজনীতি নিয়ে ভাবছি না। আমি শিক্ষা নিয়েই কাজ করতে চাই।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী একটি অনলাইনে প্রকাশিত নিউজ তার ফেসবুক একাউন্ট থেকে শেয়ার করেছিলেন বুধবার। ‘তারেকের নির্দেশে আযমের জানাযা বর্জন করল বিএনপি’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি শেয়ার করে আমান আযমী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘অধ্যাপক গোলাম আযমের মৃত্যুর পর পুরো বিশ্ব শোক করলেও বিএনপির নীরবতায় পুরো জাতি হতাশ। আমি জানি না কেন!’
তিনি আরও লেখেন, “আমার এটা বলতে কোনো দ্বিধা নেই যে, জামায়াতের সমর্থন ছাড়া বিএনপি কখনোই সরকার গঠন করতে পারত না। দুঃখের বিষয়, এই দলের প্রতিষ্ঠাতা আমির এবং আমৃত্যু আধ্যাত্মিক গুরুর মৃত্যুতে তাদের নীরবতা ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য!”
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে আযমী লেখেন, ‘জামায়াতের সমর্থন ছাড়া তারা ফের ক্ষমতায় যেতে পারবে না—এটা মাথায় রাখলে বিএনপি ভালো করবে। এটা আমার প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ।’
ফেসবুকে নিজের দেওয়া স্ট্যাটাসের ব্যাখ্যায় আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একান্ত সাক্ষাৎকারে দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘প্রথমত কথা হলো আমি কোনো রাজনৈতিক দলের লোক নই, আমি কোনো রাজনীতি করি না। সুতরাং এটি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। গত এক সপ্তাহ থেকে বিভিন্ন মানুষের কাছে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি বিএনপি কোনো শোক বার্তা দিয়েছে কিনা, বিএনপির কেউ জানাজায় এসেছে কিনা, আমাদের বাড়িতে কেউ সমবেদনা জানাতে এসেছে কিনা। এ সব সাধারণ মানুষের জিজ্ঞাসা। যারা আমাকে এ সব প্রশ্ন করছে আমি তাদের পাল্টা প্রশ্ন করছি—আপনাদের কাছে কী ব্যাপারটা স্বাভাবিক মনে হয় যে, অধ্যাপক গোলাম আযমের মতো নেতা—যিনি বিশ্বব্যাপী সম্মানিত, তার জন্য বিশ্বব্যাপী হাজারো জায়গায় জানাজা হয়েছে। এমন একটা মানুষের ইন্তেকালে বিএনপি একদম নিঃশব্দ, নিষ্ক্রিয়-আপনাদের কাছে কী স্বাভাবিক মনে হয়? আমার কাছে এটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। সাধারণ, সচেতন নাগরিক হিসেবে ওই মতামত প্রকাশ করেছি। এর মধ্যে তারেক রহমানের বিষয়ে একটা কথা ছিল। আমি বিশ্বাস করতে চাই না তিনি এটা বলেছেন। আসলে এটা আমি মিডিয়াতে নাও বলতে পারতাম। আমি বলেছি যে, তাদের (বিএনপির) এ নীরবতা বিস্ময়কর। এটা শুধু আমার কাছে নয়, সবার কাছেই বিস্ময়কর। আমি স্ট্যাটাসে আরও একটি বিষয় বলেছি—এটা সবাই জানে যে, ১৯৯১ সালে বিএনপি জামায়াতের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। আওয়ামী লীগ তো দু’টা মন্ত্রীত্ব ও ৭টা মহিলা এমপির পদ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু জামায়াত আওয়ামী লীগের এ প্রস্তাবে রাজি না হয়ে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে, তারা মাত্র দুইটা মহিলা এমপি দিয়েছিল। জামায়াতের জন্য তো ওটা (আওয়ামী লীগের প্রস্তাব) লাভবান প্রস্তাব ছিল। জামায়াত তাদের দলীয় লাভ দেখেনি, সঙ্কীর্ণতার মধ্যে আবদ্ধ থাকেনি। দেশের স্বার্থে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে জামায়াত। ২০০১ সালের নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপি এক থাকার কারণেই বিজয়ী হওয়া (সরকার গঠন) সম্ভব হয়েছে। ৯৬-এর ইলেকশনে বিএনপি-জামায়াত পৃথকভাবে ইলেকশন করেছে বিএনপির অবস্থান কিন্তু ভালো হয়নি।’
২০০৮ সালের নির্বাচনে তো বিএনপি-জামায়াত এক থাকা সত্ত্বেও বিজয়ী হতে পারেনি?—এমন প্রশ্নের জবাবে গোলাম আযমপুত্র বলেন, ‘ওই নির্বাচনটা নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। সময়ই বলে দিবে ওইটার গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু। আমার বাবার প্রস্তাবনা অনুযায়ী গঠিত কেয়ারটেকার সরকার ছিল না ওইটা।’
‘আপনার বাবার (গোলাম আযম) মৃত্যুতে বিএনপি শোক জানায়নি আবার সর্বশেষ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরেও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এতে জোটের সম্পর্কে অবনতি ঘটবে কিনা?’—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জিনিসটা আমার কাছে পরিষ্কার নয় যে, এ ঘটনা জোটে কতটুকু প্রভাব ফেলবে। কারণ জোটের সম্পর্কের ধরন কী আমার কাছে এখনো পরিষ্কার না।’
আযমী বলেন, আমি জামায়াত করি না, আমার সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এখন পর্যন্ত জামায়াতের ফরম ফিলাপ করিনি। আমি ওনাদের (জামায়াত নেতাদের) ছোটবেলা থেকে দেখেছি। বাবার এখানে ওনারা আসতেন, এ জন্য তাদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ হয়েছে। আমার বাবার বিষয়ে আইনগতভাবে ওনারা যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন, জানাজা, দাফন-কাফনে সহযোগিতা করেছেন। এ জন্য পারস্পরিক সম্পর্ক-পরিচিতি আছে। কিন্তু আবারও বলছি আমার সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এই মুহূর্তে রাজনীতি করার চিন্তা করছি না।’
ভবিষ্যতে রাজনীতি করবেন কিনা?— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটা ভবিষ্যতে চিন্তা করে দেখব। আমার কাছে দেশের মূল সমস্যা রাজনীতি নয়। রাজনীতি ইমিডিয়েট একটা সমস্যা হতে পারে। আমার কাছে মূল সমস্যা মনে হচ্ছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তুলছে না। আর এ জন্যই আজকে আমাদের এত অপসংস্কৃতি, এ জন্যই আজকে আমাদের এ অসুস্থ রাজনীতি। এটাকে আমূল পরিবর্তন করতে হলে আমাদের শিক্ষিত দেশপ্রেমিক গড়ে তুলতে হবে। একজন শিক্ষিত সুনাগরিক দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি। আর আমি এটা নিয়েই কাজ করছি। সেনাবাহিনীর সর্বশেষ দশ বছর আমি বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল কলেজের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। তখনই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। ৩০ বছর সামরিক জীবনে আমি দেশ সেবায় কাজ করেছি এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছি- যতদিন আল্লাহ হায়াত (জীবন) দিয়েছে শিক্ষা নিয়ে কাজ করব।’
তিনি বলেন, ‘আমি ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আড়াই হাজারের মতো শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমি মনে করি, যে মোমবাতিতে আলো নাই সে মোমবাতি দিয়ে একশটা মোমবাতিতে আলো জ্বালানো সম্ভব নয়। সুতরাং শিক্ষকরাই হলেন আলোকিত জাতি গড়ার মূল চাবিকাঠি, তাই তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। জুলাই মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি যে, আমি নিজে একটি স্কুল করব। স্কুলের শিক্ষকদের আমি নিজে প্রশিক্ষণ দেব।’
আলাপচারিতায় আমান আযমী বলেন, ‘আগামী ২০১৫ সালে আমার একটি স্কুলের যাত্রা শুরু হচ্ছে। স্কুলটির নাম হবে ভিশন স্কলারস একাডেমি। প্রথম শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে। ইংলিশ মিডিয়াম নয়, দেশের প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলাম অনুযায়ী ইংলিশ ভার্সনে শিক্ষা দেওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। এ জন্য দক্ষ একটি টিম তৈরির চেষ্টা করছি।’
তিনি বলেন, ‘এ জন্য আমি ২৫ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। যা ২০১১ সাল থেকে শুরু হয়েছে। আমি মনে করি দেশকে আলোকিত করতে হলে শিক্ষার কোনো বিকল্প নাই। বর্তমান অপসংঙ্কৃতির রাজনীতিতে ঢুকে মনে হয় বেশি কিছু করতে পারব না। আমি দেশকে ভালোবাসি, দেশের উন্নয়ন চাই—মঙ্গল চাই। আমি চিন্তা করে দেখেছি, যদি শিক্ষাক্ষেত্রে কাজ করে সুনাগরিক গড়ে তুলতে পারি তাহলে তারাই উন্নত দেশ ও জাতি উপহার দেবে।’
‘আপনার বাবা জামায়াতের আমির ছিলেন, আপনাকে যদি বর্তমান দলের শীর্ষ নেতারা রাজনীতি করার আহ্বান জানান তাহলে কী করবেন?’— এমন প্রশ্নের উত্তরে আমান আযমী বলেন, ‘রাজনীতি করতে তারা আহ্বান করেনি তা কিন্তু আমি বলিনি। বলেছি আমি এখন রাজনীতি করার চিন্তা করছি না।’
জানাজা ও দাফন-কাফনে সহযোগিতার ব্যাপারে সরকারকে ধন্যবাদ দেওয়া প্রসঙ্গে আমান আযমী বলেন, ‘সরকার আমার বাবার উপর কত অন্যায় করেছে সেটা তো ভিন্ন কথা। কিন্তু এই যে দেশের ইতিহাসে স্মরণকালের বড় জানাজা অনুষ্ঠিত হলো, এতে যদি প্রশাসন, কারা কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা না করত তাহলে কী সুষ্ঠুভাবে সবকিছু করা সম্ভব হতো? হতো না। যেহেতু প্রশাসন সরকারেরই অংশ, তাই আমি সরকারকে ধন্যবাদ দিয়েছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাইনি।’
দেশের বাইরে থাকা ভাইদের দেশে আসতে না পারা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বৃটিশ নাগরিক। নিয়ম অনুযায়ী তাদের ভিসা লাগে না, তবে পাসপোর্টে একটা সিল লাগে। কিন্তু বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্টরা তাদের পাসপোর্টে এ সিল দেয়নি। এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তরও দেয়নি তারা।’
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী গোলাম আযমের ৬ ছেলের মধ্যে চতুর্থ। সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের পদ থেকে ২০০৯ সালের ২৩ জুন আযমীকে বরখাস্ত করা হয়। আমান আযমী ছাড়া বাকিরা সবাই দেশের বাইরে থাকেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধে ৯০ বছরের কারাভোগ অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা চলাকালীন গত ২৩ অক্টোবর মারা যান গোলাম আযম। ২৫ অক্টোবর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জানাজার পর গোলাম আযমকে মগবাজারের কাজী অফিস লেনের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ/ সৌজন্যে ঃ দ্যা রিপোর্ট২৪ ডটকম/ ৩১-১০-২০১৪
তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে আমি রাজনীতি নিয়ে ভাবছি না। আমি শিক্ষা নিয়েই কাজ করতে চাই।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী একটি অনলাইনে প্রকাশিত নিউজ তার ফেসবুক একাউন্ট থেকে শেয়ার করেছিলেন বুধবার। ‘তারেকের নির্দেশে আযমের জানাযা বর্জন করল বিএনপি’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি শেয়ার করে আমান আযমী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘অধ্যাপক গোলাম আযমের মৃত্যুর পর পুরো বিশ্ব শোক করলেও বিএনপির নীরবতায় পুরো জাতি হতাশ। আমি জানি না কেন!’
তিনি আরও লেখেন, “আমার এটা বলতে কোনো দ্বিধা নেই যে, জামায়াতের সমর্থন ছাড়া বিএনপি কখনোই সরকার গঠন করতে পারত না। দুঃখের বিষয়, এই দলের প্রতিষ্ঠাতা আমির এবং আমৃত্যু আধ্যাত্মিক গুরুর মৃত্যুতে তাদের নীরবতা ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য!”
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে আযমী লেখেন, ‘জামায়াতের সমর্থন ছাড়া তারা ফের ক্ষমতায় যেতে পারবে না—এটা মাথায় রাখলে বিএনপি ভালো করবে। এটা আমার প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ।’
ফেসবুকে নিজের দেওয়া স্ট্যাটাসের ব্যাখ্যায় আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একান্ত সাক্ষাৎকারে দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘প্রথমত কথা হলো আমি কোনো রাজনৈতিক দলের লোক নই, আমি কোনো রাজনীতি করি না। সুতরাং এটি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। গত এক সপ্তাহ থেকে বিভিন্ন মানুষের কাছে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি বিএনপি কোনো শোক বার্তা দিয়েছে কিনা, বিএনপির কেউ জানাজায় এসেছে কিনা, আমাদের বাড়িতে কেউ সমবেদনা জানাতে এসেছে কিনা। এ সব সাধারণ মানুষের জিজ্ঞাসা। যারা আমাকে এ সব প্রশ্ন করছে আমি তাদের পাল্টা প্রশ্ন করছি—আপনাদের কাছে কী ব্যাপারটা স্বাভাবিক মনে হয় যে, অধ্যাপক গোলাম আযমের মতো নেতা—যিনি বিশ্বব্যাপী সম্মানিত, তার জন্য বিশ্বব্যাপী হাজারো জায়গায় জানাজা হয়েছে। এমন একটা মানুষের ইন্তেকালে বিএনপি একদম নিঃশব্দ, নিষ্ক্রিয়-আপনাদের কাছে কী স্বাভাবিক মনে হয়? আমার কাছে এটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। সাধারণ, সচেতন নাগরিক হিসেবে ওই মতামত প্রকাশ করেছি। এর মধ্যে তারেক রহমানের বিষয়ে একটা কথা ছিল। আমি বিশ্বাস করতে চাই না তিনি এটা বলেছেন। আসলে এটা আমি মিডিয়াতে নাও বলতে পারতাম। আমি বলেছি যে, তাদের (বিএনপির) এ নীরবতা বিস্ময়কর। এটা শুধু আমার কাছে নয়, সবার কাছেই বিস্ময়কর। আমি স্ট্যাটাসে আরও একটি বিষয় বলেছি—এটা সবাই জানে যে, ১৯৯১ সালে বিএনপি জামায়াতের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। আওয়ামী লীগ তো দু’টা মন্ত্রীত্ব ও ৭টা মহিলা এমপির পদ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু জামায়াত আওয়ামী লীগের এ প্রস্তাবে রাজি না হয়ে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে, তারা মাত্র দুইটা মহিলা এমপি দিয়েছিল। জামায়াতের জন্য তো ওটা (আওয়ামী লীগের প্রস্তাব) লাভবান প্রস্তাব ছিল। জামায়াত তাদের দলীয় লাভ দেখেনি, সঙ্কীর্ণতার মধ্যে আবদ্ধ থাকেনি। দেশের স্বার্থে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে জামায়াত। ২০০১ সালের নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপি এক থাকার কারণেই বিজয়ী হওয়া (সরকার গঠন) সম্ভব হয়েছে। ৯৬-এর ইলেকশনে বিএনপি-জামায়াত পৃথকভাবে ইলেকশন করেছে বিএনপির অবস্থান কিন্তু ভালো হয়নি।’
২০০৮ সালের নির্বাচনে তো বিএনপি-জামায়াত এক থাকা সত্ত্বেও বিজয়ী হতে পারেনি?—এমন প্রশ্নের জবাবে গোলাম আযমপুত্র বলেন, ‘ওই নির্বাচনটা নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। সময়ই বলে দিবে ওইটার গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু। আমার বাবার প্রস্তাবনা অনুযায়ী গঠিত কেয়ারটেকার সরকার ছিল না ওইটা।’
‘আপনার বাবার (গোলাম আযম) মৃত্যুতে বিএনপি শোক জানায়নি আবার সর্বশেষ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরেও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এতে জোটের সম্পর্কে অবনতি ঘটবে কিনা?’—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জিনিসটা আমার কাছে পরিষ্কার নয় যে, এ ঘটনা জোটে কতটুকু প্রভাব ফেলবে। কারণ জোটের সম্পর্কের ধরন কী আমার কাছে এখনো পরিষ্কার না।’
আযমী বলেন, আমি জামায়াত করি না, আমার সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এখন পর্যন্ত জামায়াতের ফরম ফিলাপ করিনি। আমি ওনাদের (জামায়াত নেতাদের) ছোটবেলা থেকে দেখেছি। বাবার এখানে ওনারা আসতেন, এ জন্য তাদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ হয়েছে। আমার বাবার বিষয়ে আইনগতভাবে ওনারা যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন, জানাজা, দাফন-কাফনে সহযোগিতা করেছেন। এ জন্য পারস্পরিক সম্পর্ক-পরিচিতি আছে। কিন্তু আবারও বলছি আমার সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এই মুহূর্তে রাজনীতি করার চিন্তা করছি না।’
ভবিষ্যতে রাজনীতি করবেন কিনা?— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটা ভবিষ্যতে চিন্তা করে দেখব। আমার কাছে দেশের মূল সমস্যা রাজনীতি নয়। রাজনীতি ইমিডিয়েট একটা সমস্যা হতে পারে। আমার কাছে মূল সমস্যা মনে হচ্ছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তুলছে না। আর এ জন্যই আজকে আমাদের এত অপসংস্কৃতি, এ জন্যই আজকে আমাদের এ অসুস্থ রাজনীতি। এটাকে আমূল পরিবর্তন করতে হলে আমাদের শিক্ষিত দেশপ্রেমিক গড়ে তুলতে হবে। একজন শিক্ষিত সুনাগরিক দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি। আর আমি এটা নিয়েই কাজ করছি। সেনাবাহিনীর সর্বশেষ দশ বছর আমি বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল কলেজের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। তখনই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। ৩০ বছর সামরিক জীবনে আমি দেশ সেবায় কাজ করেছি এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছি- যতদিন আল্লাহ হায়াত (জীবন) দিয়েছে শিক্ষা নিয়ে কাজ করব।’
তিনি বলেন, ‘আমি ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আড়াই হাজারের মতো শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমি মনে করি, যে মোমবাতিতে আলো নাই সে মোমবাতি দিয়ে একশটা মোমবাতিতে আলো জ্বালানো সম্ভব নয়। সুতরাং শিক্ষকরাই হলেন আলোকিত জাতি গড়ার মূল চাবিকাঠি, তাই তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। জুলাই মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি যে, আমি নিজে একটি স্কুল করব। স্কুলের শিক্ষকদের আমি নিজে প্রশিক্ষণ দেব।’
আলাপচারিতায় আমান আযমী বলেন, ‘আগামী ২০১৫ সালে আমার একটি স্কুলের যাত্রা শুরু হচ্ছে। স্কুলটির নাম হবে ভিশন স্কলারস একাডেমি। প্রথম শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে। ইংলিশ মিডিয়াম নয়, দেশের প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলাম অনুযায়ী ইংলিশ ভার্সনে শিক্ষা দেওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। এ জন্য দক্ষ একটি টিম তৈরির চেষ্টা করছি।’
তিনি বলেন, ‘এ জন্য আমি ২৫ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। যা ২০১১ সাল থেকে শুরু হয়েছে। আমি মনে করি দেশকে আলোকিত করতে হলে শিক্ষার কোনো বিকল্প নাই। বর্তমান অপসংঙ্কৃতির রাজনীতিতে ঢুকে মনে হয় বেশি কিছু করতে পারব না। আমি দেশকে ভালোবাসি, দেশের উন্নয়ন চাই—মঙ্গল চাই। আমি চিন্তা করে দেখেছি, যদি শিক্ষাক্ষেত্রে কাজ করে সুনাগরিক গড়ে তুলতে পারি তাহলে তারাই উন্নত দেশ ও জাতি উপহার দেবে।’
‘আপনার বাবা জামায়াতের আমির ছিলেন, আপনাকে যদি বর্তমান দলের শীর্ষ নেতারা রাজনীতি করার আহ্বান জানান তাহলে কী করবেন?’— এমন প্রশ্নের উত্তরে আমান আযমী বলেন, ‘রাজনীতি করতে তারা আহ্বান করেনি তা কিন্তু আমি বলিনি। বলেছি আমি এখন রাজনীতি করার চিন্তা করছি না।’
জানাজা ও দাফন-কাফনে সহযোগিতার ব্যাপারে সরকারকে ধন্যবাদ দেওয়া প্রসঙ্গে আমান আযমী বলেন, ‘সরকার আমার বাবার উপর কত অন্যায় করেছে সেটা তো ভিন্ন কথা। কিন্তু এই যে দেশের ইতিহাসে স্মরণকালের বড় জানাজা অনুষ্ঠিত হলো, এতে যদি প্রশাসন, কারা কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা না করত তাহলে কী সুষ্ঠুভাবে সবকিছু করা সম্ভব হতো? হতো না। যেহেতু প্রশাসন সরকারেরই অংশ, তাই আমি সরকারকে ধন্যবাদ দিয়েছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাইনি।’
দেশের বাইরে থাকা ভাইদের দেশে আসতে না পারা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বৃটিশ নাগরিক। নিয়ম অনুযায়ী তাদের ভিসা লাগে না, তবে পাসপোর্টে একটা সিল লাগে। কিন্তু বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্টরা তাদের পাসপোর্টে এ সিল দেয়নি। এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তরও দেয়নি তারা।’
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী গোলাম আযমের ৬ ছেলের মধ্যে চতুর্থ। সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের পদ থেকে ২০০৯ সালের ২৩ জুন আযমীকে বরখাস্ত করা হয়। আমান আযমী ছাড়া বাকিরা সবাই দেশের বাইরে থাকেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধে ৯০ বছরের কারাভোগ অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা চলাকালীন গত ২৩ অক্টোবর মারা যান গোলাম আযম। ২৫ অক্টোবর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জানাজার পর গোলাম আযমকে মগবাজারের কাজী অফিস লেনের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ/ সৌজন্যে ঃ দ্যা রিপোর্ট২৪ ডটকম/ ৩১-১০-২০১৪
১৯৭১
সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ৯০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর
সাবেক আমির গোলাম আযমের মৃত্যুতে বিএনপির শোক না জানানো ও জানাজায় শরিক না
হওয়াকে স্বাভাবিকভাবে দেখছেন না তার চতুর্থ ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী।
দ্য রিপোর্টকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমান আযমী বলেন,
‘শুধু আমার কাছে নয়, আমার বাবার মৃত্যুতে বিএনপির নীরব ভূমিকা সবার কাছেই
বিস্ময়কর মনে হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে আমি রাজনীতি নিয়ে ভাবছি না। আমি শিক্ষা নিয়েই কাজ করতে চাই।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী একটি অনলাইনে প্রকাশিত নিউজ তার ফেসবুক একাউন্ট থেকে শেয়ার করেছিলেন বুধবার। ‘তারেকের নির্দেশে আযমের জানাযা বর্জন করল বিএনপি’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি শেয়ার করে আমান আযমী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘অধ্যাপক গোলাম আযমের মৃত্যুর পর পুরো বিশ্ব শোক করলেও বিএনপির নীরবতায় পুরো জাতি হতাশ। আমি জানি না কেন!’
তিনি আরও লেখেন, “আমার এটা বলতে কোনো দ্বিধা নেই যে, জামায়াতের সমর্থন ছাড়া বিএনপি কখনোই সরকার গঠন করতে পারত না। দুঃখের বিষয়, এই দলের প্রতিষ্ঠাতা আমির এবং আমৃত্যু আধ্যাত্মিক গুরুর মৃত্যুতে তাদের নীরবতা ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য!”
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে আযমী লেখেন, ‘জামায়াতের সমর্থন ছাড়া তারা ফের ক্ষমতায় যেতে পারবে না—এটা মাথায় রাখলে বিএনপি ভালো করবে। এটা আমার প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ।’
ফেসবুকে নিজের দেওয়া স্ট্যাটাসের ব্যাখ্যায় আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একান্ত সাক্ষাৎকারে দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘প্রথমত কথা হলো আমি কোনো রাজনৈতিক দলের লোক নই, আমি কোনো রাজনীতি করি না। সুতরাং এটি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। গত এক সপ্তাহ থেকে বিভিন্ন মানুষের কাছে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি বিএনপি কোনো শোক বার্তা দিয়েছে কিনা, বিএনপির কেউ জানাজায় এসেছে কিনা, আমাদের বাড়িতে কেউ সমবেদনা জানাতে এসেছে কিনা। এ সব সাধারণ মানুষের জিজ্ঞাসা। যারা আমাকে এ সব প্রশ্ন করছে আমি তাদের পাল্টা প্রশ্ন করছি—আপনাদের কাছে কী ব্যাপারটা স্বাভাবিক মনে হয় যে, অধ্যাপক গোলাম আযমের মতো নেতা—যিনি বিশ্বব্যাপী সম্মানিত, তার জন্য বিশ্বব্যাপী হাজারো জায়গায় জানাজা হয়েছে। এমন একটা মানুষের ইন্তেকালে বিএনপি একদম নিঃশব্দ, নিষ্ক্রিয়-আপনাদের কাছে কী স্বাভাবিক মনে হয়? আমার কাছে এটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। সাধারণ, সচেতন নাগরিক হিসেবে ওই মতামত প্রকাশ করেছি। এর মধ্যে তারেক রহমানের বিষয়ে একটা কথা ছিল। আমি বিশ্বাস করতে চাই না তিনি এটা বলেছেন। আসলে এটা আমি মিডিয়াতে নাও বলতে পারতাম। আমি বলেছি যে, তাদের (বিএনপির) এ নীরবতা বিস্ময়কর। এটা শুধু আমার কাছে নয়, সবার কাছেই বিস্ময়কর। আমি স্ট্যাটাসে আরও একটি বিষয় বলেছি—এটা সবাই জানে যে, ১৯৯১ সালে বিএনপি জামায়াতের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। আওয়ামী লীগ তো দু’টা মন্ত্রীত্ব ও ৭টা মহিলা এমপির পদ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু জামায়াত আওয়ামী লীগের এ প্রস্তাবে রাজি না হয়ে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে, তারা মাত্র দুইটা মহিলা এমপি দিয়েছিল। জামায়াতের জন্য তো ওটা (আওয়ামী লীগের প্রস্তাব) লাভবান প্রস্তাব ছিল। জামায়াত তাদের দলীয় লাভ দেখেনি, সঙ্কীর্ণতার মধ্যে আবদ্ধ থাকেনি। দেশের স্বার্থে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে জামায়াত। ২০০১ সালের নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপি এক থাকার কারণেই বিজয়ী হওয়া (সরকার গঠন) সম্ভব হয়েছে। ৯৬-এর ইলেকশনে বিএনপি-জামায়াত পৃথকভাবে ইলেকশন করেছে বিএনপির অবস্থান কিন্তু ভালো হয়নি।’
- See more at: http://www.thereport24.com/article/66473/index.html#sthash.T2xc6qyS.dpuf
তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে আমি রাজনীতি নিয়ে ভাবছি না। আমি শিক্ষা নিয়েই কাজ করতে চাই।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী একটি অনলাইনে প্রকাশিত নিউজ তার ফেসবুক একাউন্ট থেকে শেয়ার করেছিলেন বুধবার। ‘তারেকের নির্দেশে আযমের জানাযা বর্জন করল বিএনপি’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি শেয়ার করে আমান আযমী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘অধ্যাপক গোলাম আযমের মৃত্যুর পর পুরো বিশ্ব শোক করলেও বিএনপির নীরবতায় পুরো জাতি হতাশ। আমি জানি না কেন!’
তিনি আরও লেখেন, “আমার এটা বলতে কোনো দ্বিধা নেই যে, জামায়াতের সমর্থন ছাড়া বিএনপি কখনোই সরকার গঠন করতে পারত না। দুঃখের বিষয়, এই দলের প্রতিষ্ঠাতা আমির এবং আমৃত্যু আধ্যাত্মিক গুরুর মৃত্যুতে তাদের নীরবতা ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য!”
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে আযমী লেখেন, ‘জামায়াতের সমর্থন ছাড়া তারা ফের ক্ষমতায় যেতে পারবে না—এটা মাথায় রাখলে বিএনপি ভালো করবে। এটা আমার প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ।’
ফেসবুকে নিজের দেওয়া স্ট্যাটাসের ব্যাখ্যায় আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একান্ত সাক্ষাৎকারে দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘প্রথমত কথা হলো আমি কোনো রাজনৈতিক দলের লোক নই, আমি কোনো রাজনীতি করি না। সুতরাং এটি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। গত এক সপ্তাহ থেকে বিভিন্ন মানুষের কাছে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি বিএনপি কোনো শোক বার্তা দিয়েছে কিনা, বিএনপির কেউ জানাজায় এসেছে কিনা, আমাদের বাড়িতে কেউ সমবেদনা জানাতে এসেছে কিনা। এ সব সাধারণ মানুষের জিজ্ঞাসা। যারা আমাকে এ সব প্রশ্ন করছে আমি তাদের পাল্টা প্রশ্ন করছি—আপনাদের কাছে কী ব্যাপারটা স্বাভাবিক মনে হয় যে, অধ্যাপক গোলাম আযমের মতো নেতা—যিনি বিশ্বব্যাপী সম্মানিত, তার জন্য বিশ্বব্যাপী হাজারো জায়গায় জানাজা হয়েছে। এমন একটা মানুষের ইন্তেকালে বিএনপি একদম নিঃশব্দ, নিষ্ক্রিয়-আপনাদের কাছে কী স্বাভাবিক মনে হয়? আমার কাছে এটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। সাধারণ, সচেতন নাগরিক হিসেবে ওই মতামত প্রকাশ করেছি। এর মধ্যে তারেক রহমানের বিষয়ে একটা কথা ছিল। আমি বিশ্বাস করতে চাই না তিনি এটা বলেছেন। আসলে এটা আমি মিডিয়াতে নাও বলতে পারতাম। আমি বলেছি যে, তাদের (বিএনপির) এ নীরবতা বিস্ময়কর। এটা শুধু আমার কাছে নয়, সবার কাছেই বিস্ময়কর। আমি স্ট্যাটাসে আরও একটি বিষয় বলেছি—এটা সবাই জানে যে, ১৯৯১ সালে বিএনপি জামায়াতের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। আওয়ামী লীগ তো দু’টা মন্ত্রীত্ব ও ৭টা মহিলা এমপির পদ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু জামায়াত আওয়ামী লীগের এ প্রস্তাবে রাজি না হয়ে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে, তারা মাত্র দুইটা মহিলা এমপি দিয়েছিল। জামায়াতের জন্য তো ওটা (আওয়ামী লীগের প্রস্তাব) লাভবান প্রস্তাব ছিল। জামায়াত তাদের দলীয় লাভ দেখেনি, সঙ্কীর্ণতার মধ্যে আবদ্ধ থাকেনি। দেশের স্বার্থে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে জামায়াত। ২০০১ সালের নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপি এক থাকার কারণেই বিজয়ী হওয়া (সরকার গঠন) সম্ভব হয়েছে। ৯৬-এর ইলেকশনে বিএনপি-জামায়াত পৃথকভাবে ইলেকশন করেছে বিএনপির অবস্থান কিন্তু ভালো হয়নি।’
- See more at: http://www.thereport24.com/article/66473/index.html#sthash.T2xc6qyS.dpuf
বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ও হনুফা আক্তার রিক্তা। শুক্রবার বিকেল ৩টা ১৭ মিনিটে কাবিননামায় সই করেন বর-কনে। দেনমোহরের ৫ লাখ ১ টাকা বিয়ের আসরেই কনেপক্ষকে পরিশোধ করা হয়েছে।
এর আগে বর মুজিবুল হক চান্দিনা উপজেলার মীরাখোলা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছান। শুক্রবার বেলা ৩টা ৫ মিনিটে বরকে স্বাগত জানান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার বেইলী রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বরযাত্রী নিয়ে রওনা দেন মন্ত্রী।
বরের আগমনী বার্তায় সরগরম হয়ে ওঠে মীরাখোলা গ্রাম। বর দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে গ্রামে।
ছয় মন্ত্রীসহ অর্ধশতাধিক সংসদ সদস্য রেলমন্ত্রীর বরযাত্রী হয়েছেন। এ ছাড়া আরও সাড়ে ছয় শতাধিক বরযাত্রী বিচ্ছিন্নভাবে কনের বাড়িতে আসেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ/ নিজস্ব প্রতিবেদক/ ৩১-১০-২০১৪
এর আগে বর মুজিবুল হক চান্দিনা উপজেলার মীরাখোলা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছান। শুক্রবার বেলা ৩টা ৫ মিনিটে বরকে স্বাগত জানান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার বেইলী রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বরযাত্রী নিয়ে রওনা দেন মন্ত্রী।
বরের আগমনী বার্তায় সরগরম হয়ে ওঠে মীরাখোলা গ্রাম। বর দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে গ্রামে।
ছয় মন্ত্রীসহ অর্ধশতাধিক সংসদ সদস্য রেলমন্ত্রীর বরযাত্রী হয়েছেন। এ ছাড়া আরও সাড়ে ছয় শতাধিক বরযাত্রী বিচ্ছিন্নভাবে কনের বাড়িতে আসেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ/ নিজস্ব প্রতিবেদক/ ৩১-১০-২০১৪
বিয়ে
বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ও হনুফা আক্তার রিক্তা।
শুক্রবার বিকেল ৩টা ১৭ মিনিটে কাবিননামায় সই করেন বর-কনে। দেনমোহরের ৫ লাখ ১
টাকা বিয়ের আসরেই কনেপক্ষকে পরিশোধ করা হয়েছে।
এর আগে বর মুজিবুল হক চান্দিনা উপজেলার মীরাখোলা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছান। শুক্রবার বেলা ৩টা ৫ মিনিটে বরকে স্বাগত জানান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার বেইলী রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বরযাত্রী নিয়ে রওনা দেন মন্ত্রী।
বরের আগমনী বার্তায় সরগরম হয়ে ওঠে মীরাখোলা গ্রাম। বর দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে গ্রামে।
ছয় মন্ত্রীসহ অর্ধশতাধিক সংসদ সদস্য রেলমন্ত্রীর বরযাত্রী হয়েছেন। এ ছাড়া আরও সাড়ে ছয় শতাধিক বরযাত্রী বিচ্ছিন্নভাবে কনের বাড়িতে আসেন।
- See more at: http://www.thereport24.com/article/66598/index.html#sthash.k6mvYdga.dpuf
এর আগে বর মুজিবুল হক চান্দিনা উপজেলার মীরাখোলা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছান। শুক্রবার বেলা ৩টা ৫ মিনিটে বরকে স্বাগত জানান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার বেইলী রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বরযাত্রী নিয়ে রওনা দেন মন্ত্রী।
বরের আগমনী বার্তায় সরগরম হয়ে ওঠে মীরাখোলা গ্রাম। বর দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে গ্রামে।
ছয় মন্ত্রীসহ অর্ধশতাধিক সংসদ সদস্য রেলমন্ত্রীর বরযাত্রী হয়েছেন। এ ছাড়া আরও সাড়ে ছয় শতাধিক বরযাত্রী বিচ্ছিন্নভাবে কনের বাড়িতে আসেন।
- See more at: http://www.thereport24.com/article/66598/index.html#sthash.k6mvYdga.dpuf
বিয়ে
বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ও হনুফা আক্তার রিক্তা।
শুক্রবার বিকেল ৩টা ১৭ মিনিটে কাবিননামায় সই করেন বর-কনে। দেনমোহরের ৫ লাখ ১
টাকা বিয়ের আসরেই কনেপক্ষকে পরিশোধ করা হয়েছে।
এর আগে বর মুজিবুল হক চান্দিনা উপজেলার মীরাখোলা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছান। শুক্রবার বেলা ৩টা ৫ মিনিটে বরকে স্বাগত জানান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার বেইলী রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বরযাত্রী নিয়ে রওনা দেন মন্ত্রী।
বরের আগমনী বার্তায় সরগরম হয়ে ওঠে মীরাখোলা গ্রাম। বর দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে গ্রামে।
ছয় মন্ত্রীসহ অর্ধশতাধিক সংসদ সদস্য রেলমন্ত্রীর বরযাত্রী হয়েছেন। এ ছাড়া আরও সাড়ে ছয় শতাধিক বরযাত্রী বিচ্ছিন্নভাবে কনের বাড়িতে আসেন।
- See more at: http://www.thereport24.com/article/66598/index.html#sthash.k6mvYdga.dpuf
এর আগে বর মুজিবুল হক চান্দিনা উপজেলার মীরাখোলা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছান। শুক্রবার বেলা ৩টা ৫ মিনিটে বরকে স্বাগত জানান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার বেইলী রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বরযাত্রী নিয়ে রওনা দেন মন্ত্রী।
বরের আগমনী বার্তায় সরগরম হয়ে ওঠে মীরাখোলা গ্রাম। বর দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে গ্রামে।
ছয় মন্ত্রীসহ অর্ধশতাধিক সংসদ সদস্য রেলমন্ত্রীর বরযাত্রী হয়েছেন। এ ছাড়া আরও সাড়ে ছয় শতাধিক বরযাত্রী বিচ্ছিন্নভাবে কনের বাড়িতে আসেন।
- See more at: http://www.thereport24.com/article/66598/index.html#sthash.k6mvYdga.dpuf
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জ বাজারে বুধবার জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে পুলিশ-বিজিবি’র সংঘর্ষের ঘটনায় দায়য়ের মামলায় বৃহস্পতিবার রাতে ১২ জামায়াত শিবির কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৯ বিজিবির উপ পরিচালক মোসলেহ উদ্দীন জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি ও পুলিশ উপজেলার রসুলপুর ও ইসরাইল মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের শিবগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর রায় ঘোষণার দিন শিবগঞ্জে পুলিশ-বিজিবির সদস্যদের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় গুলিবর্ষণ ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশ-বিজিবিসহ অন্তত ৩০জন আহত হয়। ওই ঘটনায় শিবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) চৌধুরী জুবায়ের ফয়সাল বাদী হয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কেরামত আলী, জামায়াতের উপজেলা আমির মনিরুল ইসলামসহ ৩০জন নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১২/১৩শ’ জনকে আসামি করে বুধবার রাতে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ/ নিজস্ব প্রতিবেদক/ ৩১-১০-২০১৪
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৯ বিজিবির উপ পরিচালক মোসলেহ উদ্দীন জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি ও পুলিশ উপজেলার রসুলপুর ও ইসরাইল মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের শিবগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর রায় ঘোষণার দিন শিবগঞ্জে পুলিশ-বিজিবির সদস্যদের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় গুলিবর্ষণ ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশ-বিজিবিসহ অন্তত ৩০জন আহত হয়। ওই ঘটনায় শিবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) চৌধুরী জুবায়ের ফয়সাল বাদী হয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কেরামত আলী, জামায়াতের উপজেলা আমির মনিরুল ইসলামসহ ৩০জন নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১২/১৩শ’ জনকে আসামি করে বুধবার রাতে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ/ নিজস্ব প্রতিবেদক/ ৩১-১০-২০১৪
শিবগঞ্জের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী মনিরুল হত্যার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আখেরুল ইসলামের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। পুলিশের পক্ষ থেকে ১০দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। জানাগেছে, আজ সকালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম রেজার আদালতে রিমান্ড শুনানি শেষে আদালত ৩দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ/ নিজস্ব প্রতিবেদক/ ৩০-১০-২০১৪
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ/ নিজস্ব প্রতিবেদক/ ৩০-১০-২০১৪
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে শুরু একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনীর পরীক্ষা। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষে সাপ্তাহিক পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। এ লক্ষে সেপ্টেম্বর ২০১৪ মাসে গৃহীত পরীক্ষায় বিভিন্ন বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় অধিকারীদের অংশগ্রহনকারীদের বিশেষ ভাবে পুরস্কৃত করা হচ্ছে। প্রতি মাসে ৭টি বিষয়ে ও সপ্তাহে ২টি বিষয়ে উপর পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। গত বুধবার নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুলতানা রাজিয়া ৩ বিভাগে মোট ১৩ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করেন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন,উপাধাক্ষ মোঃ ইব্রাহিম আলী,আরবী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মিয়া মোহাম্মদ নুরুল হক ও রসায়ন বিভাগের প্রভাষক এহসানুল হক প্রমুখ। @ মেহেদি হাসান
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারোঘরিয়া ইউনিয়নের হিলফ্-উল-ফজল ইউথ ক্লাব এন্ড লাইব্রেরীর ব্যবস্থাপনায় বারোঘরিয়া বাজার চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট- ২০১৪ এ বৃহস্পতিবারে মহানন্দা স্পোর্টিং ক্লাব ও আঙ্গারিয়াপাড়া ফুটবল দলের মধ্যকার খেলাটি ১-১ গোলে ড্র হয়। মহানন্দা স্পোটিং ক্লাবে পক্ষে রুবেল ও অপর দলের পক্ষে খোকন ১টি করে গোল করে।
দেশের সীমান্ত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ঢুকছে। সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত পেড়িয়ে ভারত থেকে অস্ত্র আসার মাত্রা বহুগুন বেড়ে যাওয়ায় দেশের অস্ত্র আসা রুটগুলোর তালিকায় শীর্ষ পর্যায়ে চলে এসেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাম। জেলাজুড়ে ১৪ অস্ত্র ব্যবসায়ী রমরমাভাবে চালিয়ে যাচ্ছে অস্ত্রের কেনা-বেচা। প্রভাবশালীদের মদদে ওই ১৪ অস্ত্র ব্যবসায়ী তাদের অন্য ব্যবসার আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে অস্ত্র ব্যাবসা। ইতোমধ্যে গোয়েন্দা তালিকায় চলে এসেছে ওই ১৪ অস্ত্র ব্যবসায়ীর নাম।
সূত্র জানায়, দেশ জুড়ে অবৈধ অস্ত্র আসার পরিমাণ বৃদ্ধি মুখে সরকারিভাবে অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের একটি তালিকা তৈরী করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগও নিয়েছে সরকার। সূত্র জানায়, সীমান্ত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা, খাসেরহাট, শিংনগর, মনোহরপুর সীমান্ত এলাকা এক সময় অস্ত্র আসার নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসলেও এখন এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সোনামসজিদ ও তার আশেপাশের এলাকা। এ সব সীমান্ত পথ দিয়ে ‘বানের পানির’ মত ভারত থেকে ঢুকছে অবৈধ অস্ত্র। সীমান্ত এলাকায় অল্প সময়ের মধ্যে ‘গডফাদার’ বনে যাওয়া ব্যক্তিরা ভারত থেকে অবৈধ অস্ত্র এনে বাংলাদেশে বিক্রি করছেন। আর কামিয়ে নিচ্ছেন প্রচুর টাকা।
আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্র আসার পরিমান উদ্বেগজনক হারে। মোটা টাকার বিনিময়ে অস্ত্র আনার কাজে ‘পাইট’ নিয়োগ করে অস্ত্র কেনা বেচা হলেও এর অন্তরানে থাকছেন প্রভাবশালীদের মদদে গড়ে উঠা অস্ত্র ব্যবসার ‘গডফাদার’রা। ওই সুত্র জানিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে এবং অন্য কাজ করা বেশ কয়েকজন রযেছেন তারা তাদের বৈধ ব্যবসার আড়ালে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা পড়া ওই তালিকায় তাদের নাম চলে এসেছে বলে ওই সুত্র জানিয়েছে।
সূত্র জানায়, সোনামসজিদ স্থল বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনে সাবেক সভাপতি আখেরুল ইসলাম যিনি ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতিও। তিনি ক’দিন আগে গুলি করে আরেক যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলামকে হত্যা করার মামলায় আটক হয়েছে। ওই মামলায় আটক আরো দু’জন ১৬৪ ধারায় আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে বলেছেন, ‘ আখেরুল গুলি করে হত্যা করে যুবলীগ নেতা মনিরুলকে’। সূত্র জানায়, আখেরুলের ওই ব্যবহার করা অস্ত্রটি অবৈধ। অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারকারী আখেরুল অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সেই জড়িত আখেরুলের ভাই সেনাউল ইসলাম। তিনি শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত সানাউলের নামও রয়েছে সরকারি ওই গোয়েন্দা তালিকায়।
তবে, এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সানাউল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমি একজন ব্যবসায়ী- সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট। গত আন্দোলনের সময় জামায়াত-বিএনপির কর্মীরা আমার বাড়িতে আগুন দিয়েছে। আমি সোনামসজিদ স্থলবন্দরের শ্রমিক লীগের নেতৃত্ব দিই। কেউ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তালিকায় আমার নাম দিতে পারে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অস্ত্র চোরাচালানের যে অভিযোগের কথা বলছেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
এদিকে, দেশে অবৈধ অস্ত্র ঢোকার মাত্রা ‘ঝুকিপূর্ণ’ পর্যায়ে ঠেকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে মাঠে নেমেছে আইন প্রয়োগ কারী সংস্থা। তারা জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। চলতি অক্টোবর মাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র্যাব ও বিজিবি’র হাতে প্রচুর পরিমাণ বিদেশী অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার হয়েছে। সর্বশেষ সোনামসজিদে র্যাবের হাতে আটক হয়েছে দু’ অস্ত্র ব্যবসায়ীও।
চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ বিজিবি’র ৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক জ লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু জাফর শেখ মোহাম্মদ বজলুল হক বলেন, ‘গত পাঁচ-ছয় মাসে এ এলাকায় ৩৮টি আগ্নেয়াস্ত্র আটক করা হয়েছে। বিজিবি সদস্যরা অস্ত্র চোরাকারবারিদের আটক করে থানায় সোপর্দ করে।’ তিনি বলেন, ‘, ‘সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিজিবি আন্তরিকভাবে অস্ত্র চোরাচালান রোধে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে, যে পরিমাণ অস্ত্র ঢোকে, তার সব আটক করা সম্ভব হয় না’।
গাম্প্রতিক সময়ে র্যাব ও বিজিবি’র হাতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ধরা পড়ার ঘটনা এবং সীমান্ত পেড়িয়ে দেদারসে অস্ত্র ঢুকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাগরিক নিরাপত্তাও হুমকীর মধ্যে পড়েছে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র জানায়, দেশ জুড়ে অবৈধ অস্ত্র আসার পরিমাণ বৃদ্ধি মুখে সরকারিভাবে অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের একটি তালিকা তৈরী করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগও নিয়েছে সরকার। সূত্র জানায়, সীমান্ত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা, খাসেরহাট, শিংনগর, মনোহরপুর সীমান্ত এলাকা এক সময় অস্ত্র আসার নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসলেও এখন এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সোনামসজিদ ও তার আশেপাশের এলাকা। এ সব সীমান্ত পথ দিয়ে ‘বানের পানির’ মত ভারত থেকে ঢুকছে অবৈধ অস্ত্র। সীমান্ত এলাকায় অল্প সময়ের মধ্যে ‘গডফাদার’ বনে যাওয়া ব্যক্তিরা ভারত থেকে অবৈধ অস্ত্র এনে বাংলাদেশে বিক্রি করছেন। আর কামিয়ে নিচ্ছেন প্রচুর টাকা।
আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্র আসার পরিমান উদ্বেগজনক হারে। মোটা টাকার বিনিময়ে অস্ত্র আনার কাজে ‘পাইট’ নিয়োগ করে অস্ত্র কেনা বেচা হলেও এর অন্তরানে থাকছেন প্রভাবশালীদের মদদে গড়ে উঠা অস্ত্র ব্যবসার ‘গডফাদার’রা। ওই সুত্র জানিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে এবং অন্য কাজ করা বেশ কয়েকজন রযেছেন তারা তাদের বৈধ ব্যবসার আড়ালে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা পড়া ওই তালিকায় তাদের নাম চলে এসেছে বলে ওই সুত্র জানিয়েছে।
সূত্র জানায়, সোনামসজিদ স্থল বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনে সাবেক সভাপতি আখেরুল ইসলাম যিনি ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতিও। তিনি ক’দিন আগে গুলি করে আরেক যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলামকে হত্যা করার মামলায় আটক হয়েছে। ওই মামলায় আটক আরো দু’জন ১৬৪ ধারায় আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে বলেছেন, ‘ আখেরুল গুলি করে হত্যা করে যুবলীগ নেতা মনিরুলকে’। সূত্র জানায়, আখেরুলের ওই ব্যবহার করা অস্ত্রটি অবৈধ। অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারকারী আখেরুল অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সেই জড়িত আখেরুলের ভাই সেনাউল ইসলাম। তিনি শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত সানাউলের নামও রয়েছে সরকারি ওই গোয়েন্দা তালিকায়।
তবে, এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সানাউল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমি একজন ব্যবসায়ী- সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট। গত আন্দোলনের সময় জামায়াত-বিএনপির কর্মীরা আমার বাড়িতে আগুন দিয়েছে। আমি সোনামসজিদ স্থলবন্দরের শ্রমিক লীগের নেতৃত্ব দিই। কেউ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তালিকায় আমার নাম দিতে পারে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অস্ত্র চোরাচালানের যে অভিযোগের কথা বলছেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
এদিকে, দেশে অবৈধ অস্ত্র ঢোকার মাত্রা ‘ঝুকিপূর্ণ’ পর্যায়ে ঠেকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে মাঠে নেমেছে আইন প্রয়োগ কারী সংস্থা। তারা জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। চলতি অক্টোবর মাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র্যাব ও বিজিবি’র হাতে প্রচুর পরিমাণ বিদেশী অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার হয়েছে। সর্বশেষ সোনামসজিদে র্যাবের হাতে আটক হয়েছে দু’ অস্ত্র ব্যবসায়ীও।
চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ বিজিবি’র ৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক জ লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু জাফর শেখ মোহাম্মদ বজলুল হক বলেন, ‘গত পাঁচ-ছয় মাসে এ এলাকায় ৩৮টি আগ্নেয়াস্ত্র আটক করা হয়েছে। বিজিবি সদস্যরা অস্ত্র চোরাকারবারিদের আটক করে থানায় সোপর্দ করে।’ তিনি বলেন, ‘, ‘সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিজিবি আন্তরিকভাবে অস্ত্র চোরাচালান রোধে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে, যে পরিমাণ অস্ত্র ঢোকে, তার সব আটক করা সম্ভব হয় না’।
গাম্প্রতিক সময়ে র্যাব ও বিজিবি’র হাতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ধরা পড়ার ঘটনা এবং সীমান্ত পেড়িয়ে দেদারসে অস্ত্র ঢুকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাগরিক নিরাপত্তাও হুমকীর মধ্যে পড়েছে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জামায়াত শিবিরের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা কেরামত আলীসহ ১৩’শ জন জামায়াত-শিবির নেতা কর্মীকে আসামী করে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশিকুর রহমান জানান, জামায়াত শিবিরের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১২’শ/১৩’শ জনকে আসামী করা হয়েছে। শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) চৌধুরী যোবায়ের আহম্মেদ বাদি হয়ে বুধবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন।
উল্লেখ্য মতিউর রহমান নিজামীর রায় ঘোষনার পর বুধবার বিকেলে শিবগঞ্জ বাজারে বিজিবি-পুলিশের সাথে জামায়াত-শিবিরের তুমুল সংঘর্ষ হয়।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশিকুর রহমান জানান, জামায়াত শিবিরের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১২’শ/১৩’শ জনকে আসামী করা হয়েছে। শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) চৌধুরী যোবায়ের আহম্মেদ বাদি হয়ে বুধবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন।
উল্লেখ্য মতিউর রহমান নিজামীর রায় ঘোষনার পর বুধবার বিকেলে শিবগঞ্জ বাজারে বিজিবি-পুলিশের সাথে জামায়াত-শিবিরের তুমুল সংঘর্ষ হয়।
জামায়াতের ডাকা হরতালের প্রথম দিন সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে র্যাব, পুলিশ বিজিবি’র বাধার মুখে পড়েছে পিকেটাররা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বড় ইন্দারা মোড়ে জমা হয়ে মিছিল পিকেটিং করার চেষ্টা করলে র্যাব, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তবে, জামায়াতের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে জামায়াত শিবির কর্মীর ভেলুর মোড় ও বালুবাগান এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিল করেছে।
সকাল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের কোন পিকেটিং দেখা যায়নি। সকাল থেকেই সোনামসজিদ মহাসড়কসহ শহরের অন্যান্য গুরুত্বপুর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে। অন্য এলাকায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, হরতালের কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দূরপাল্লা ও আন্তঃ জেলা রুটে বড় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে, ছোট ছোট যান চলাচল করতে দেখা গেছে। শহরের প্রধান প্রধান মার্কেটগুলো খোলেনি। সোনামসজিদ স্থল বন্দর থেকেও পণ্য পরিবহণ বন্ধ রয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বড় ইন্দারা মোড়ে জমা হয়ে মিছিল পিকেটিং করার চেষ্টা করলে র্যাব, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তবে, জামায়াতের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে জামায়াত শিবির কর্মীর ভেলুর মোড় ও বালুবাগান এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিল করেছে।
সকাল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের কোন পিকেটিং দেখা যায়নি। সকাল থেকেই সোনামসজিদ মহাসড়কসহ শহরের অন্যান্য গুরুত্বপুর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে। অন্য এলাকায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, হরতালের কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দূরপাল্লা ও আন্তঃ জেলা রুটে বড় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে, ছোট ছোট যান চলাচল করতে দেখা গেছে। শহরের প্রধান প্রধান মার্কেটগুলো খোলেনি। সোনামসজিদ স্থল বন্দর থেকেও পণ্য পরিবহণ বন্ধ রয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার লালাপাড়া এলাকা থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) র্যাব ৩০ টি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে। উদ্ধার করা ককটেল গুলো র্যাব ক্যাম্পে নিয়ে এসে নিস্ক্রিয় করা হয়েছে।
র্যাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর কামরুজ্জামান পাভেল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল লালাপাড়ায় অভিযান চালায়। এসময় লালাপাড়া মোড় সংলগ্ন আম বাগানের ৬ টি স্থান থেকে পৃথক পৃথক ব্যাগের মধ্যে থাকা ককটেলগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
র্যাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর কামরুজ্জামান পাভেল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল লালাপাড়ায় অভিযান চালায়। এসময় লালাপাড়া মোড় সংলগ্ন আম বাগানের ৬ টি স্থান থেকে পৃথক পৃথক ব্যাগের মধ্যে থাকা ককটেলগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীর রায় ঘোষণাকে ঘিরে বুধবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জামায়াত- শিবিরের সঙ্গে পুলিশ-বিজিবি’র সংঘর্ষে গুলিতে আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার সময় পুলিশকে অবহিত না করায় শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দু’ চিকিৎসক ও এক স্বাস্থ্য সহকারীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ৮টার দিকের এই ঘটনাকে পুলিশ বলেছে ‘জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছে’।
সূত্র জানায়, রাত ৮ টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একদল পুলিশ নিয়ে গিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, চিকিৎসক আফিয়া ফেরদৌস ও স্বাস্থ্য সহকারী শরিফুল ইসলামকে আটক করে। ওই সূত্র জানায়, সংঘর্ষে পুলিশ বিজিবি’র গুলিতে আহত জামায়াত শিবির কর্মীদের চিকিৎসা দেয়ার সময় পুলিশকে অবহিত না করার দায়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, পুলিশ জানতে না পারার কারণে চিকিৎসা নিতে যাওয়া জামায়াত শিবির কর্মীরা চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া দুস্কৃতকারীদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছে’।
এদিকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল এ্যাসোসিয়েশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখা সূত্র জানিয়েছে, রাতে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা শেষে ওই চিকিৎসকদের গাফেলতি তদন্ত সাপেক্ষে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে রাতেই তাদের ছেড়ে দেয়ার কথা হয়েছে।
সূত্র জানায়, রাত ৮ টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একদল পুলিশ নিয়ে গিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, চিকিৎসক আফিয়া ফেরদৌস ও স্বাস্থ্য সহকারী শরিফুল ইসলামকে আটক করে। ওই সূত্র জানায়, সংঘর্ষে পুলিশ বিজিবি’র গুলিতে আহত জামায়াত শিবির কর্মীদের চিকিৎসা দেয়ার সময় পুলিশকে অবহিত না করার দায়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, পুলিশ জানতে না পারার কারণে চিকিৎসা নিতে যাওয়া জামায়াত শিবির কর্মীরা চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া দুস্কৃতকারীদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছে’।
এদিকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল এ্যাসোসিয়েশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখা সূত্র জানিয়েছে, রাতে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা শেষে ওই চিকিৎসকদের গাফেলতি তদন্ত সাপেক্ষে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে রাতেই তাদের ছেড়ে দেয়ার কথা হয়েছে।
জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীর রায় ঘোষণাকে ঘিরে বুধবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জামায়াত- শিবিরের সঙ্গে পুলিশ-বিজিবি’র সংঘর্ষ হয়েছে। প্রায় ঘন্টাব্যাপি চলা এই সংঘর্ষে জামায়াত শিবির ৩০ টির মত ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটালে জবাবে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা রেকর্ড পরিমাণ গুলি বর্ষণ করেছে। এতে ৭ পুলিশ-বিজিবি সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশংকাজনক।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বিকেলে জামায়াত-শিবির কর্মীরা শিবগঞ্জ বাজারে মিছিল শেষে ইসলামী ব্যাংকের সামনে সমাবেশ করার সময় পুলিশী বাধার মুখে পড়ে। এসময় উভয় পক্ষ সংর্ঘষে জড়িয়ে পড়ে। জামায়াত শিবির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ প্রায় ৩০টি ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটনালে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা শর্টগান ও রাইফেলের গুলি করে। এতে বোমার আঘাতে বিজিবি সদস্য নাজমুল ও আহসান, বিজিবির গুলিতে বাদাম বিক্রেতা দূর্লভপুর ইউনিয়নের মনিরুল চৌকিদারের ছেলে সাদিকুলসহ অন্তত ৩০জন আহত হয়েছে। আহতদের শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশংকা জনক। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার বশির আহম্মদ জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশে পুলিশ প্রায় ১৫০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও বিজিবি ১ শ রাউন্ড রাইফেলের গুলি করে। এসময় ১০ জামায়াত শিবির কর্মীকে আটক করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মর্হুতেরে মধ্যে সংঘর্ষ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। জামায়াত শিবিরের একের পর এক ককটেল বিষ্ফোরণ আর পুলিশ বিজিবি’র গুলি বর্ষণ গোটা শিবগঞ্জ বাজার আত্মংকের শহরে পরিণত হয়। লোকজন শূণ্য হয়ে পড়ে।
এদিকে, বেলা ১২টার দিকে ভোলাহাটের মেডিক্যাল মোড়ে শিবির বিক্ষোভ মিছিল বের করা উদ্যোগ নিলে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। এ সময় পুলিশ ৭ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে তিন শিবির কর্মী আহত হয়।
অন্যদিকে, জেলা শহরে জামায়াত শিবির কর্মীরা বাতেনখার মোড় এলাকায় মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশী বাধার মূখে পড়ে প্রফেসর পাড়ার দিকে চলে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বিকেলে জামায়াত-শিবির কর্মীরা শিবগঞ্জ বাজারে মিছিল শেষে ইসলামী ব্যাংকের সামনে সমাবেশ করার সময় পুলিশী বাধার মুখে পড়ে। এসময় উভয় পক্ষ সংর্ঘষে জড়িয়ে পড়ে। জামায়াত শিবির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ প্রায় ৩০টি ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটনালে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা শর্টগান ও রাইফেলের গুলি করে। এতে বোমার আঘাতে বিজিবি সদস্য নাজমুল ও আহসান, বিজিবির গুলিতে বাদাম বিক্রেতা দূর্লভপুর ইউনিয়নের মনিরুল চৌকিদারের ছেলে সাদিকুলসহ অন্তত ৩০জন আহত হয়েছে। আহতদের শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশংকা জনক। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার বশির আহম্মদ জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশে পুলিশ প্রায় ১৫০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও বিজিবি ১ শ রাউন্ড রাইফেলের গুলি করে। এসময় ১০ জামায়াত শিবির কর্মীকে আটক করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মর্হুতেরে মধ্যে সংঘর্ষ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। জামায়াত শিবিরের একের পর এক ককটেল বিষ্ফোরণ আর পুলিশ বিজিবি’র গুলি বর্ষণ গোটা শিবগঞ্জ বাজার আত্মংকের শহরে পরিণত হয়। লোকজন শূণ্য হয়ে পড়ে।
এদিকে, বেলা ১২টার দিকে ভোলাহাটের মেডিক্যাল মোড়ে শিবির বিক্ষোভ মিছিল বের করা উদ্যোগ নিলে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। এ সময় পুলিশ ৭ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে তিন শিবির কর্মী আহত হয়।
অন্যদিকে, জেলা শহরে জামায়াত শিবির কর্মীরা বাতেনখার মোড় এলাকায় মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশী বাধার মূখে পড়ে প্রফেসর পাড়ার দিকে চলে যায়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাবাসীর বহু প্রত্যাশিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে মাষ্টার্স কোর্সের ভর্তি কার্যক্রম বৃহস্পতিবার হতে শুরু হচ্ছে। ¯œাতকোত্তর শেষ পর্ব শিক্ষা পর্যায়ে তিনটি বিভাগ বাংলা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও হিসাববিজ্ঞান ভর্তি করা হবে। ১ম মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বাংলায় ৮০, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৯০ ও হিসাববিজ্ঞান ৭৫ জন কে সংশিষ্ট বিভাগের অন-লাইন ফর্ম তুলে নিয়ে গিয়ে ভর্তি হতে হবে। গত ১৭ এপ্রিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে জানানো হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৬তম অধিভুক্তি কমিটির সুপারিশ এবং একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সভার অনুমোদন সাপেক্ষে এই কার্যক্রমের অনুমতি দেয়া হয়।
মাষ্টার্স কোর্স চালুর ব্যাপারে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুলতানা রাজিয়া জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল যে, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে মাষ্টার্স কোর্স চালু করা হোক যাতে করে জেলার দরিদ্র-মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা কম খরছে পড়াশুনা করতে পারে। আমারা ৬টি সাবজেক্টে মাষ্টার্স খোলার আবেদন জানালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম পর্যায়ে ৩টি সাবজেক্টে মাষ্টার্স ভর্তির অনুমতি দেন। আশা করছি আগামীতে আমাদের কলেজে যে ১২টি সাবজেক্টে অনার্স চালু রয়েছে সেগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দিবে। এ ব্যাপারে কথা হল নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড.মাযহারুল ইসলাম তরুর সাথে তিনি জানান, মাষ্টার্স ভর্তির মাধ্যমে আমাদের কলেজে নতুন দিগন্তের সৃষ্টি হল।জেলার শির্ক্ষাথীদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করার পথ উন্মোচিত হল। উলেখ্য আজ ২৯ অক্টোবর ভর্তি শেষে আগামী ২ নভেম্বর থেকে যথারীতি ক্লাশ আরম্ভ হবে। @ মেহেদি হাসান
মাষ্টার্স কোর্স চালুর ব্যাপারে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুলতানা রাজিয়া জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল যে, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে মাষ্টার্স কোর্স চালু করা হোক যাতে করে জেলার দরিদ্র-মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা কম খরছে পড়াশুনা করতে পারে। আমারা ৬টি সাবজেক্টে মাষ্টার্স খোলার আবেদন জানালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম পর্যায়ে ৩টি সাবজেক্টে মাষ্টার্স ভর্তির অনুমতি দেন। আশা করছি আগামীতে আমাদের কলেজে যে ১২টি সাবজেক্টে অনার্স চালু রয়েছে সেগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দিবে। এ ব্যাপারে কথা হল নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড.মাযহারুল ইসলাম তরুর সাথে তিনি জানান, মাষ্টার্স ভর্তির মাধ্যমে আমাদের কলেজে নতুন দিগন্তের সৃষ্টি হল।জেলার শির্ক্ষাথীদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করার পথ উন্মোচিত হল। উলেখ্য আজ ২৯ অক্টোবর ভর্তি শেষে আগামী ২ নভেম্বর থেকে যথারীতি ক্লাশ আরম্ভ হবে। @ মেহেদি হাসান
বৃটিশ কাউন্সিল কানেকটিং ক্লাশরুম এর আওতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুনামধন্য ৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বুধবার নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছে। বৃটিশ কাউন্সিল কানেকটিং ক্লাশরুম এর প্রতিনিধি ও সেভেন মিলস প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাইকেল হারস, ওকল্যান্ড সেকেন্ডডারী হাই স্কুলের সহকারি শিক্ষক ষ্টিভেন জেরিমি, হারমিটেজ প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক লরা জন ডেল নাসোশংকরবাটী স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষকদের টিচিং ব্যবস্থাপনা, ছাত্র-ছাত্রীদের ইংলিশ ডেবেটিং,ম্যানেজিং কমিটির কার্যক্রম, স্কুলের ক্রীড়া উন্নয়ন সহ স্কুলের বিভিন্ন বিষয় পরিদর্শন করে গিয়ে ইংল্যান্ডে তাদের স্কুলে একই ভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম করবেন।বৃটিশ কাউন্সিল কানেকটিং ক্লাশরুম এর প্রতিনিধি দলের সাথে নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম কবির, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. দুরুল হোদা,সাবেক প্রধান শিক্ষক হাসানুল মবিন, সহকারি প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান, মোঃ মার্শাল সহ স্কুলের সকল শিক্ষক কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন। @ মেহেদি হাসান
পুলিশী অভিযানে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাবার পর বাড়ি ফিরে পুলিশী আত্মংকে মঈদুল (৩৬) নামের এক পলাতক আসামীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলার বাগবাড়ি মিয়াপুর গ্রামে। নিহত মঈদুল মিয়াপুরের মোন্তাজ আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, শিবগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল সোমবার বিকেলে মঈদুলকে গ্রেফতারের জন্য মিয়াপুর বাজারে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশ দেখে মঈদুল পালিয়ে গিয়ে সংলগ্ন একটি আম বাগানে আশ্রয় নেয়। পরে পুলিশ চলে গেলে সে বাড়িতে ফিরে এসে অসুস্থ্যবোধ করে এবং মারা যায়।
পুলিশ জানায়, নিহত মঈদুলের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতে একটি নারী নির্যাতন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় ওই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
স্থানীয়রা জানায়, শিবগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল সোমবার বিকেলে মঈদুলকে গ্রেফতারের জন্য মিয়াপুর বাজারে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশ দেখে মঈদুল পালিয়ে গিয়ে সংলগ্ন একটি আম বাগানে আশ্রয় নেয়। পরে পুলিশ চলে গেলে সে বাড়িতে ফিরে এসে অসুস্থ্যবোধ করে এবং মারা যায়।
পুলিশ জানায়, নিহত মঈদুলের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতে একটি নারী নির্যাতন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় ওই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারোঘরিয়া ইউনিয়নের হিলফ্-উল-ফজল ইউথ ক্লাব এন্ড লাইব্রেরীর ব্যবস্থাপনায় বারোঘরিয়া বাজার চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট- ২০১৪ এ মঙ্গলবারের খেলায় নয়ালাভাঙ্গা মোড়লটোলা ফুটবল উপস্থিত না হওয়ায় লক্ষীপুর যুব সংঘ ওয়াক ওভার পেয়ে পরবর্তী রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। @ শহিদুল হক সুয়েল
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে সর্প দংশন ও কুকুরের ভ্যাকসিন নিশ্চিতসহ ১৩ দফা দাবী আদায়ে মঙ্গলবার সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ সাটু হলের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।
মানববন্ধন কর্মসূচীতে বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন জেলা শাখার সভাপতি এ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহজামাল, সদস্য শাহজামাল মন্ডল, মুশফিকুর রহমান টিটু, ফারুক আহম্মেদ, বাদরুল আলম প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে সর্প দংশন, কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিনের স্বপ্লতা, গলব্লাডার, পাকস্থলীর অস্ত্রপাচার না করা, দীর্ঘদিন ধরে গাইনী চিকিৎসক না থাকা, অতিরিক্ত দামে রক্ত বিক্রী, বিভিন্ন ডাইগোনষ্টিক টেস্টের নামে অতিরিক্ত অর্থ নেয়া, কেবিন বা বেডে দেয়ার নামে অর্থ আদায়, মেডিক্যাল প্রতিনিধিদের উপদ্রবসহ দালাল মুক্ত করাসহ ১৩ দফা দাবী করা হয়।
বক্তারা ১৩দফা দাবী অবিলম্বে মেনে নিয়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের দাবী করেন। অন্যথায় দাবী মানা না হলে আগামী ৩০ নভেম্বর বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে। পরে নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। @ মেহেদি হাসান
মানববন্ধন কর্মসূচীতে বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন জেলা শাখার সভাপতি এ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহজামাল, সদস্য শাহজামাল মন্ডল, মুশফিকুর রহমান টিটু, ফারুক আহম্মেদ, বাদরুল আলম প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে সর্প দংশন, কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিনের স্বপ্লতা, গলব্লাডার, পাকস্থলীর অস্ত্রপাচার না করা, দীর্ঘদিন ধরে গাইনী চিকিৎসক না থাকা, অতিরিক্ত দামে রক্ত বিক্রী, বিভিন্ন ডাইগোনষ্টিক টেস্টের নামে অতিরিক্ত অর্থ নেয়া, কেবিন বা বেডে দেয়ার নামে অর্থ আদায়, মেডিক্যাল প্রতিনিধিদের উপদ্রবসহ দালাল মুক্ত করাসহ ১৩ দফা দাবী করা হয়।
বক্তারা ১৩দফা দাবী অবিলম্বে মেনে নিয়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের দাবী করেন। অন্যথায় দাবী মানা না হলে আগামী ৩০ নভেম্বর বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে। পরে নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। @ মেহেদি হাসান
২৮ শে অক্টোবর পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে মঙ্গলবার বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আমীর অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বড় ইন্দারা মোড় থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন মোড় প্রদক্ষিন করে শান্তি মোড়ে গিয়ে পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়।
পথসভায় বক্তারা বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ শে অক্টোবর বর্তমান সরকার লগি, বৈঠা দিয়ে জামায়াত এবং শিবিরের আটজনকে খুন করেছিল। বক্তারা ৮ খুনের আসামীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন।
মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সহঃ সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুস সবুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর ছাত্রশিবির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সদর থানা সেক্রেটারী মোজাম্মেল হক , ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর সেক্রেটারী তোহরুল ইসলাম সোহেল, অফিস সম্পাদক এনায়েতুল্লাহ, অর্থ সম্পাদক গোলাম জাকারিয়া, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল বারী, শিক্ষা সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। @ মেহেদি হাসান
পথসভায় বক্তারা বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ শে অক্টোবর বর্তমান সরকার লগি, বৈঠা দিয়ে জামায়াত এবং শিবিরের আটজনকে খুন করেছিল। বক্তারা ৮ খুনের আসামীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন।
মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সহঃ সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুস সবুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর ছাত্রশিবির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সদর থানা সেক্রেটারী মোজাম্মেল হক , ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর সেক্রেটারী তোহরুল ইসলাম সোহেল, অফিস সম্পাদক এনায়েতুল্লাহ, অর্থ সম্পাদক গোলাম জাকারিয়া, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল বারী, শিক্ষা সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। @ মেহেদি হাসান
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের মনোহরপুর বিজিবি’র অভিযানে ১টি পিস্তুল, ৬ রাউন্ড গুলি, ২টি ম্যাগজিন পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। মঙ্গলবার সাড়ে ৯টার সময় শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা-গোপালপুর ঘাট এলাকা থেকে এ অস্ত্র উদ্ধার করে।
৯ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু জাফর সেখ মোহাম্মদ বজলুল হক জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মনোহরপুর বিওপি’র বিজিবি একটি টহল দল মনাকষা ইউনিয়নের গোপালপুর ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় বিজিবি সদস্যরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি মালিকবিহীন নসিমন দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয় এবং তাতে তল্ল¬াশী চালিয়ে সীটের নীচে রাখা ব্যাগ থেকে ১টি বিদেশী পিস্তুল, ২টি ম্যাগাজিন ও ৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
এব্যাপারে মনোহরপুর বিওপির ক্যাম্পের সুবেদার আকতার হোসেন জানান, অস্ত্র বহনকারি বিজিবি’র টের পেয়ে পালিয়ে যায়। @ মেহেদি হাসান
৯ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু জাফর সেখ মোহাম্মদ বজলুল হক জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মনোহরপুর বিওপি’র বিজিবি একটি টহল দল মনাকষা ইউনিয়নের গোপালপুর ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় বিজিবি সদস্যরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি মালিকবিহীন নসিমন দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয় এবং তাতে তল্ল¬াশী চালিয়ে সীটের নীচে রাখা ব্যাগ থেকে ১টি বিদেশী পিস্তুল, ২টি ম্যাগাজিন ও ৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
এব্যাপারে মনোহরপুর বিওপির ক্যাম্পের সুবেদার আকতার হোসেন জানান, অস্ত্র বহনকারি বিজিবি’র টের পেয়ে পালিয়ে যায়। @ মেহেদি হাসান
শিবগঞ্জ বাজারের এক ঔষুধ ব্যবসায়ীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না গত ৩ দিন ধরে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় গত ২৫ অক্টোবর সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে।
জিডি থেকে জানাগেছে, গত ২৫ অক্টোবর দৌলতপুর উপরটোলা গ্রামের আলহাজ্ব মোঃ তোরাব আলীর ছেলে মোঃ জোহিরুল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে। সাধারণ ডায়েরী মোতাবেক গতকাল সকালে জোহিরুল ইসলাম এ প্রতিনিধিকে জানান, তার ছোট ভাই তাওহিদুল ইসলাম তুষার (৩০) শিবগঞ্জ জামে মসজিদের পার্শ্বে সেবা ফার্মেসী দোকানের ঔষুধ ব্যবসায়ী। গত ২৪ অক্টোবর শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার সময় ঔষুধ কেনার জন্য রাজশাহীর উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল যোগে রওনা হয়। তার মোটরসাইকেলটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাজারের একজন স্বর্ণকারের বাসায় রেখে ট্রেন যোগে রাজশাহী রওনা হয়। কিন্তু গত ৩ দিনেও উক্ত তুষার ঔষুধ কিনে বাড়ি ফিরেননি। বাড়ি আসার বিলম্ব দেখে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর এ যোগাযোগ করা হলে মোবাইল নম্বর দুটি বন্ধ পাওয়ায় তুষারের পরিবারেরা আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। নিখোঁজ হওয়ার সময় তুষারের পড়নে ছিল লাল রংয়ের টি-শার্ট, জিন্স প্যান্ট, তার মুখমন্ডল গোলাকার, গায়ের রং ফর্সা। তুষার নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার খবর শিবগঞ্জ বাজারে জানাজানি হয়ে গেলে দোকানদাররা আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। তুষারকে উদ্ধারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দাবী জানিয়েছে তার পরিবারের সদস্যরা।
জিডি থেকে জানাগেছে, গত ২৫ অক্টোবর দৌলতপুর উপরটোলা গ্রামের আলহাজ্ব মোঃ তোরাব আলীর ছেলে মোঃ জোহিরুল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে। সাধারণ ডায়েরী মোতাবেক গতকাল সকালে জোহিরুল ইসলাম এ প্রতিনিধিকে জানান, তার ছোট ভাই তাওহিদুল ইসলাম তুষার (৩০) শিবগঞ্জ জামে মসজিদের পার্শ্বে সেবা ফার্মেসী দোকানের ঔষুধ ব্যবসায়ী। গত ২৪ অক্টোবর শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার সময় ঔষুধ কেনার জন্য রাজশাহীর উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল যোগে রওনা হয়। তার মোটরসাইকেলটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাজারের একজন স্বর্ণকারের বাসায় রেখে ট্রেন যোগে রাজশাহী রওনা হয়। কিন্তু গত ৩ দিনেও উক্ত তুষার ঔষুধ কিনে বাড়ি ফিরেননি। বাড়ি আসার বিলম্ব দেখে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর এ যোগাযোগ করা হলে মোবাইল নম্বর দুটি বন্ধ পাওয়ায় তুষারের পরিবারেরা আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। নিখোঁজ হওয়ার সময় তুষারের পড়নে ছিল লাল রংয়ের টি-শার্ট, জিন্স প্যান্ট, তার মুখমন্ডল গোলাকার, গায়ের রং ফর্সা। তুষার নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার খবর শিবগঞ্জ বাজারে জানাজানি হয়ে গেলে দোকানদাররা আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। তুষারকে উদ্ধারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দাবী জানিয়েছে তার পরিবারের সদস্যরা।
মানবতা বিরোধী অপরাধে দায়ের মামলার আসামী জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামী’র রায় ঘোষণাকে ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র্যাব, পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। দুই দফা তারিখ পেছানোর পর বুধবার রায় ঘোষণার কথা রয়েছে।
রায় ঘোষণাকে সামনে জামায়াত অধুষ্যিত এলাকা হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইন শৃংখলা বাহিনী শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে চাঁপাইনবাগঞ্জ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও বিভিন্ন এলাকায় র্যাব-৫ এর কয়েটি টিম টহল দিচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশী টহলও অব্যাহত রয়েছে। শহরের গুরুত্বপুর্ণ স্থাপনার কাছেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
র্যাব ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, যে কোন ধরণে নাশকতা ঠেকাতে টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশের বিশেষ অভিযানে সোমবার রাতে জেলার ৫ উপজেলা থেকে ৭১ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী ও অপরাধীদের ধরতে পুলিশ জেলাজুড়ে পৃথক পৃথক অভিযান থেকে এদের আটক করা হয়। এদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ২৭ জন, শিবগঞ্জে ২৯ জন, গোমস্তাপুরে ৩ জন, নাচোলে ৭ জন ও ভোলাহাটে ৩ জন রয়েছে। এদিকে, একই সময় গোয়েন্দা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে ২ জনকে আটক করেছে।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আটককৃতদের মঙ্গলবার আদালতে সোপার্দ করা হয়েছে।
রায় ঘোষণাকে সামনে জামায়াত অধুষ্যিত এলাকা হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইন শৃংখলা বাহিনী শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে চাঁপাইনবাগঞ্জ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও বিভিন্ন এলাকায় র্যাব-৫ এর কয়েটি টিম টহল দিচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশী টহলও অব্যাহত রয়েছে। শহরের গুরুত্বপুর্ণ স্থাপনার কাছেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
র্যাব ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, যে কোন ধরণে নাশকতা ঠেকাতে টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশের বিশেষ অভিযানে সোমবার রাতে জেলার ৫ উপজেলা থেকে ৭১ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী ও অপরাধীদের ধরতে পুলিশ জেলাজুড়ে পৃথক পৃথক অভিযান থেকে এদের আটক করা হয়। এদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ২৭ জন, শিবগঞ্জে ২৯ জন, গোমস্তাপুরে ৩ জন, নাচোলে ৭ জন ও ভোলাহাটে ৩ জন রয়েছে। এদিকে, একই সময় গোয়েন্দা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে ২ জনকে আটক করেছে।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আটককৃতদের মঙ্গলবার আদালতে সোপার্দ করা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ঘাট এলাকা থেকে বিজিবি ৬ লাখ ভারতীয় রূপীসহ একজনকে আটক করেছে। আটক ব্যক্তির নাম কবির হোসেন (২৫)। সে গোপালপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি’র মনোহরপুর সীমান্ত ফাঁড়ির একটি দল রোববার রাতে গোপালপুর ঘাটে অভিযান চালায়। এ সময় বাই সাইকেল আরোহী কবিরকে ভারতীয় রূপীসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। ভারতীয় রূপীসহ আটক কবিরকে শিবগঞ্জ থানায় সোপার্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি’র মনোহরপুর সীমান্ত ফাঁড়ির একটি দল রোববার রাতে গোপালপুর ঘাটে অভিযান চালায়। এ সময় বাই সাইকেল আরোহী কবিরকে ভারতীয় রূপীসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। ভারতীয় রূপীসহ আটক কবিরকে শিবগঞ্জ থানায় সোপার্দ করা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ এলাকা থেকে আজ (সোমবার) বিদেশী অস্ত্র ও গুলিসহ ২ অস্ত্র ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব। আটককৃতরা হলো, শিবগঞ্জের উনিশদিঘি গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে বাবলু রহমান (২৭) ও কামালপুর গ্রামের ফয়েজ আলীর ছেলে বাবু (২২)।
র্যাব জানায়, অস্ত্র বিক্রির জন্য অস্ত্র ব্যবসায়ীরা সোনামসজিদ প্রাঙ্গনে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের সাদা পোশাকের একটি দল দুপুরে সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় আমেরিকার তৈরী ২ টি পিস্তুল, ১৪ রাউন্ড গুলি ও ৪ টি ম্যাগজিনসহ বাবলু রহমান ও বাবুকে আটক করা হয়।
র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহবুব আলম বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ র্যাব ক্যাম্পে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান অস্ত্রসহ আটককৃতরা দীর্ঘদিন যাবত অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আটককৃতদের শিবগঞ্জ থানায় সোপার্দ করা হয়েছে এবং এঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। @ মেহেদি হাসান
র্যাব জানায়, অস্ত্র বিক্রির জন্য অস্ত্র ব্যবসায়ীরা সোনামসজিদ প্রাঙ্গনে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের সাদা পোশাকের একটি দল দুপুরে সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় আমেরিকার তৈরী ২ টি পিস্তুল, ১৪ রাউন্ড গুলি ও ৪ টি ম্যাগজিনসহ বাবলু রহমান ও বাবুকে আটক করা হয়।
র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহবুব আলম বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ র্যাব ক্যাম্পে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান অস্ত্রসহ আটককৃতরা দীর্ঘদিন যাবত অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আটককৃতদের শিবগঞ্জ থানায় সোপার্দ করা হয়েছে এবং এঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। @ মেহেদি হাসান
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারোঘরিয়া ইউনিয়নের হিলফ্-উল-ফজল ইউথ ক্লাব এন্ড লাইব্রেরীর ব্যবস্থাপনায় বারোঘরিয়া বাজার চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট- ২০১৪ এ সোমবার গোবরাতলা ফুটবল দল মাঠে উপস্থিত না হওয়ায় এমরান স্মৃতি ফুটবল দল ওয়াক ওভার পেয়ে পরবর্তী রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ ৬৪ জন নেতাকর্মীর গ্রেফতারের প্রতিবাদে যুবদল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার দু’ গ্রুপ পৃথক পৃথক বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করেছে। সোমবার সকালে নবাবগঞ্জ টাউন ক্লাব হতে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তবিউল ইসলাম তারিফের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তবিউল ইসলাম তারিফ, ছাত্রনেতা আব্দুস সালাম, এ.এইচ,এম জামাল, বদিউজ্জামান রাজা বাবু, ইসমাইল বিশ্বাস, আসলাম আলী, আওয়াল, ইব্রাহিম আলী প্রমুখ।
এদিকে একই দাবীতে জেলা যুবদলের সভাপতি ওবাইয়েদ পাঠানের নেতৃত্বে পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের গ্রীণভিউ স্কুল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের শহর ঘুরে পুনরায় একই স্থানে সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সম্মানিত সভাপতি ওবাইয়েদ পাঠান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাহেব আলী, সহ-দপ্তর সম্পাদক এহেসান খান ও ছাত্র নেতা সোহেল রানা, ইয়ামান ও সজল প্রমুখ।
এদিকে একই দাবীতে জেলা যুবদলের সভাপতি ওবাইয়েদ পাঠানের নেতৃত্বে পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের গ্রীণভিউ স্কুল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের শহর ঘুরে পুনরায় একই স্থানে সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সম্মানিত সভাপতি ওবাইয়েদ পাঠান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাহেব আলী, সহ-দপ্তর সম্পাদক এহেসান খান ও ছাত্র নেতা সোহেল রানা, ইয়ামান ও সজল প্রমুখ।
নাচোলে ১১তম নৌকাবাইচের ফাইনালে ১১বৈঠায় সুনীল কুমার মাঝির দল ও ৫ বৈঠায় রবিউল মাঝির দল বিজয়ী হয়েছে। আজ বিকেলে উপজেলার ফতেপুর ইউপির মল্লিকপুর ফেরীঘাট এলাকায় এ নৌকাবাইচের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১১ বৈঠায় শিবগঞ্জ উপজেলার মর্দনা গ্রামের নুরুল মাঝির দলকে পরাজিত করে মল্লিকপুর ফেরীঘাটের সুনীল কুমার মাঝির দল বিজয়ী হয় এবং ৫ বৈঠায় গোমস্তাপুর উপজেলার সাহেব গ্রামের সাদ্দাম মাঝির দলকে পরাজিত করে একই উপজেলার হোগলা গ্রামের রবিউল মাঝির দল বিজয়ী হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত পুরুস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে খোলসী উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারি শিক্ষক মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাদির আহম্মেদ। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, নৌকাবাইচ কমিটির সেক্রেটারী সেলিম রেজা, নাচোল উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, আলহাজ্ব সাইফুদ্দিনসহ আরো অনেকে। বিজয়ী সুনীল কুমার মাঝির দলকে ২১ ইঞ্চি এবং রবিউল মাঝির দলকে ১৪ ইঞ্চি রঙ্গিন টিভি প্রদান করা হয়েছে।
নাটোর জেলা ক্রীড়া অফিসের ব্যবস্থাপনায় বাগতিপাড়া উপজেলার বাগতিপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুর্ধ্ব- ১৬ বালকদের কাবাডি প্রতিযোগিতা ২০১৪-১৫ অনুষ্ঠিত হয়। ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ১৬ পয়েন্ট পেয়ে বাশবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন এবং ১২ পয়েন্ট পেয়ে বাগতিপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় রানার্সআপ হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও বিজিত দলের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রেনজন জান্টগন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার আখতারুজ্জামান রেজা তালুকদার । এসময় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্রীড়া শিক্ষকগণ সহ অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাগতিপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল মজিদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারোঘরিয়া ইউনিয়নের হিলফ্-উল-ফজল ইউথ ক্লাব এন্ড লাইব্রেরীর ব্যবস্থাপনায় বারোঘরিয়া বাজার চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট- ২০১৪ এ রোববারের খেলায় জয় পেয়েছে লক্ষীপুর সূর্য তরুন সংঘ। তারা ১-০ গোলে পাগলা বাবা ফুটবল দলকে পরাজিত করে। বিজয়ী দলের পক্ষে রায়হান একমাত্র গোলটি করে।
সোনামসজিদ স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ ও যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলামকে এ্যাসোসিয়েশনের প্রচুর টাকা আত্মসাৎ করে নেয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকান্ডের পেছনে রয়েছে শিবগঞ্জে প্রভাবশালী মহল। আগে থেকে হত্যার পরিকল্পনার নিয়েই দাওয়াত খাওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে গিয়ে মনিরুলকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন নিহততে স্ত্রী রহিমা খাতুন।
বন্দর এলাকার শিয়ালমারা গ্রামের যুবক মনিরুল নিহত হওয়ার ঘটনায় রোববারও সোনামসজিদ স্থল বন্দরে অচলাবস্থা চলেছে। হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বন্দরের শ্রমিকসহ এলাকাবাসী বিক্ষোভ করেছে। ফলে দু’দিন ধরে বন্ধ রয়েছে সোনামসজিদ স্থল বন্দরের আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম। এলাকাবাসী ও শ্রমিক অসন্তোষের কারণে ভারতের মহদিপুর বন্দর থেকে কোন পণ্যবাহি গাড়ি ঢুকতে পারছেনা। মহদিপুরে আটকা পড়েছে প্রায় ১২ শ পণ্যবাহি ট্রাক। এর মধ্যে কয়েক শ রয়েছে ফলসহ পচনশীল দ্রব্যের ট্রাক।
এদিকে, মনিরুলের হত্যাকান্ডের ঘটনায় শিয়ালমারা এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ আর মনিরুলের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের লোকজনের আহজারিতে আকাশ ভারি হয়ে উটেছে। মনিরুলের স্ত্রী রহিমা খাতুন ও বোন সাহানারা খাতুন মনিরুল হত্যাকান্ডকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড উল্লেখ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ ডটকমকে বলেন, ‘ ওরা (আখেরুল, সিরাজুল ও টুটুল) আগে থেকে পরিকল্পনা দাওয়াত খাওয়ার নাম করে মনিরুলকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে’। মনিরুলের স্ত্রী রহিমা বেগম জানান, শুক্রবার সকালে বাড়িতে থাকা অবস্থাতে আখেরুল ফোন করে ডাকেন তার স্বামীকে। বের হওয়ার সময় মনিরুল তাকে বলে যান, আখেরুলদের সঙ্গে একটি দাওয়ার খেতে যাবেন। ফিরতে রাত হয়ে যাবে। কিন্তু কোথায় কিসের দাওয়ার জিজ্ঞাসা করলে কিছুই বলতে পারেনি মনিরুল।
অন্যদিকে বন্দর সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের হিসাব-নিকাশ নিয়ে কয়েকটি মিটিং হয়েছিল। এসব মিটিংই সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের গচ্ছিত টাকা আত্মসাতে বিষয়টি বেরিয়ে আসে। আর এ কারণেই মনিরুল কে হত্যা করা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএন্ডএফ এজেন্ট জানান, প্রচুর টাকার হিসেব নিকেশ। সেই কারণে হত্যার পিছনে শিবগঞ্জের বহু প্রভাবশালীরাও জড়িত রয়েছে।
মনিরুল হত্যাকান্ডের ঘটনায় তার স্ত্রী রহিমা বেগম হত্যাকান্ডের পর আটক হওয়া তিনজনসহ মোট ১৩ জনের নামে শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলার আসামী তালিকায় রয়েছেন প্রভাবশালীরা।
বন্দর এলাকার শিয়ালমারা গ্রামের যুবক মনিরুল নিহত হওয়ার ঘটনায় রোববারও সোনামসজিদ স্থল বন্দরে অচলাবস্থা চলেছে। হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বন্দরের শ্রমিকসহ এলাকাবাসী বিক্ষোভ করেছে। ফলে দু’দিন ধরে বন্ধ রয়েছে সোনামসজিদ স্থল বন্দরের আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম। এলাকাবাসী ও শ্রমিক অসন্তোষের কারণে ভারতের মহদিপুর বন্দর থেকে কোন পণ্যবাহি গাড়ি ঢুকতে পারছেনা। মহদিপুরে আটকা পড়েছে প্রায় ১২ শ পণ্যবাহি ট্রাক। এর মধ্যে কয়েক শ রয়েছে ফলসহ পচনশীল দ্রব্যের ট্রাক।
এদিকে, মনিরুলের হত্যাকান্ডের ঘটনায় শিয়ালমারা এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ আর মনিরুলের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের লোকজনের আহজারিতে আকাশ ভারি হয়ে উটেছে। মনিরুলের স্ত্রী রহিমা খাতুন ও বোন সাহানারা খাতুন মনিরুল হত্যাকান্ডকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড উল্লেখ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউজ ডটকমকে বলেন, ‘ ওরা (আখেরুল, সিরাজুল ও টুটুল) আগে থেকে পরিকল্পনা দাওয়াত খাওয়ার নাম করে মনিরুলকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে’। মনিরুলের স্ত্রী রহিমা বেগম জানান, শুক্রবার সকালে বাড়িতে থাকা অবস্থাতে আখেরুল ফোন করে ডাকেন তার স্বামীকে। বের হওয়ার সময় মনিরুল তাকে বলে যান, আখেরুলদের সঙ্গে একটি দাওয়ার খেতে যাবেন। ফিরতে রাত হয়ে যাবে। কিন্তু কোথায় কিসের দাওয়ার জিজ্ঞাসা করলে কিছুই বলতে পারেনি মনিরুল।
অন্যদিকে বন্দর সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের হিসাব-নিকাশ নিয়ে কয়েকটি মিটিং হয়েছিল। এসব মিটিংই সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের গচ্ছিত টাকা আত্মসাতে বিষয়টি বেরিয়ে আসে। আর এ কারণেই মনিরুল কে হত্যা করা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএন্ডএফ এজেন্ট জানান, প্রচুর টাকার হিসেব নিকেশ। সেই কারণে হত্যার পিছনে শিবগঞ্জের বহু প্রভাবশালীরাও জড়িত রয়েছে।
মনিরুল হত্যাকান্ডের ঘটনায় তার স্ত্রী রহিমা বেগম হত্যাকান্ডের পর আটক হওয়া তিনজনসহ মোট ১৩ জনের নামে শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলার আসামী তালিকায় রয়েছেন প্রভাবশালীরা।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থল বন্দর সোনামসজিদ স্থল বন্দরে ক্ষমতা আধিপত্য বিস্তার ও আর্থিক দ্বন্দ্বের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে সোনামসজিদ স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ ও শাহবাজাপুর ইউনিয়নের ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম। মনিরুলের সঙ্গে থাকা তিন সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা হত্যাকান্ডের পর পুলিশের হাতে আটক হয়ে হত্যাকান্ডে তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। পুলিশ ও অন্যান্য সূত্র একথা নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শিবগঞ্জের শাহবাজপুর ইউনিয়নের শিয়ালমারা গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩৫) শুক্রবার সোনামসজিদ সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর এসেছিলেন একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে। সন্ধ্যায় কারযোগে শিবগঞ্জ ফেরার পথে পরিকল্পিতভাবে শিবগঞ্জ ষ্টেডিয়ামের কাছে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, মনিরুলকে বহনকারী কারটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়ক দিয়ে না গিয়ে পরিকল্পিতভাবে অপেক্ষাকৃত নির্জন সড়ক ষ্টেডিয়াম সড়কে চলে আসে। ষ্টেডিয়াম সড়কের নির্জন যায়গায় মনিরুলকে গাড়ি থেকে নামিয়ে গুলি করে হত্যা করার পর হত্যাকারীরা পালিয়ে আশ্রয় নেয় কানসাট ইউনিয়নের পুকুরিয়া গ্রামের আওয়ামীলীগ দলীয় সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানীর বাড়িতে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে এবং এমপি’র বাড়ি থেকে আটক করে সোনামসজিদ সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আখেরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক তোহরুল ইসলাম টুটুল ও সিনিয়র সহসভাপতি সিরাজুল ইসলাম মুন্সিকে। পুলিশ জানায়, প্রাইভেট কারে আটককৃতরা মনিরুলের সঙ্গে ছিল। পুলিশ ওই সময় রক্তমাখা প্রাইভেট কার এবং কারের ভেতর থেকে একটি ম্যাগাজিন, এক রাউন্ড গুলি ও চারটি গুলির খোসা উদ্ধার করে। তবে, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্রটি উদ্ধার হয়নি।
শিবগঞ্জ থানার ওসি আশিকুর রহমান বলেন,‘ আটককৃতরাই হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত। তারা ইতোমধ্যে হত্যাকান্ডের দায় স্বীকারও করেছে’। তিনি জানান, তিনটি সূত্র ধরে হত্যাকান্ডের রহস্য অনুসন্ধানের পুলিশ তদন্ত করছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, স্থল বন্দরের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও আর্থিক বিষয়ের কারণে এ হত্যাকান্ড ঘটে থাকতে পারে। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। সেগুলোও তদন্ত করা হচ্ছে’।
পুলিশ নিহত মনিরুলের লাশ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য তা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
এদিকে বন্দর সূত্র জানিয়েছে, সোনামসজিদ স্থল বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যাবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সময়ই মনিরুল ইসলাম যুবলীগের রাজনীতির নেতৃত্বের যায়গায় চলে আসেন। সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হকের গ্রামের এলাকা শাহবাজপুরের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ওই সূত্র জানায়, ব্যক্তি জীবনে মনিরুল ছিল খুবই ষ্পষ্টবাদি। তিনি বন্দর এলাকায় গড়ে তোলেন বেশ প্রভাবও। সিএন্ডএফ ব্যবসার সূত্র ধরে খুব অল্প সময়ে প্রচুর টাকার মালিক হন।
ওই সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সোনামসজিদ স্থল বন্দরের চাঁদার টাকা নিয়ে মনোমালিন্য চলে আসছিল এ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে টাকার হিসেবে নিকেশ মনিরুলের কাছে থাকালেও হিসেবের বাইরে প্রচুর টাকা থেকে যায় এ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে।
অন্যদিকে, মনিরুলের হত্যাকান্ডের ঘটনায় সোনামসজিদ স্থল বন্দরে শনিবার অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। বন্দরের শ্রমিকসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ করে এবং বন্ধ করে দেয় আমদানী রপ্তনী কার্যক্রম। এই অচলাবস্থার কারণে ভারতের মহদিপুর স্থল বন্দরে আটক পড়েছে প্রায় ৮ শ পণ্যবাহি ট্রাক। বিক্ষোভের কারণে ট্রাক গুলো সোনামসজিদে ঢুকতে পারছেনা। সূত্র জানায়, সোনামসজিদ বন্দরে ঢোকার অপেক্ষায় থাকা ট্রাকগুলোর মধ্যে ১ শ টি রয়েছে ফলসহ পচনশীল দ্রব্যের।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শিবগঞ্জের শাহবাজপুর ইউনিয়নের শিয়ালমারা গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩৫) শুক্রবার সোনামসজিদ সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর এসেছিলেন একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে। সন্ধ্যায় কারযোগে শিবগঞ্জ ফেরার পথে পরিকল্পিতভাবে শিবগঞ্জ ষ্টেডিয়ামের কাছে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, মনিরুলকে বহনকারী কারটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়ক দিয়ে না গিয়ে পরিকল্পিতভাবে অপেক্ষাকৃত নির্জন সড়ক ষ্টেডিয়াম সড়কে চলে আসে। ষ্টেডিয়াম সড়কের নির্জন যায়গায় মনিরুলকে গাড়ি থেকে নামিয়ে গুলি করে হত্যা করার পর হত্যাকারীরা পালিয়ে আশ্রয় নেয় কানসাট ইউনিয়নের পুকুরিয়া গ্রামের আওয়ামীলীগ দলীয় সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানীর বাড়িতে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে এবং এমপি’র বাড়ি থেকে আটক করে সোনামসজিদ সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আখেরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক তোহরুল ইসলাম টুটুল ও সিনিয়র সহসভাপতি সিরাজুল ইসলাম মুন্সিকে। পুলিশ জানায়, প্রাইভেট কারে আটককৃতরা মনিরুলের সঙ্গে ছিল। পুলিশ ওই সময় রক্তমাখা প্রাইভেট কার এবং কারের ভেতর থেকে একটি ম্যাগাজিন, এক রাউন্ড গুলি ও চারটি গুলির খোসা উদ্ধার করে। তবে, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্রটি উদ্ধার হয়নি।
শিবগঞ্জ থানার ওসি আশিকুর রহমান বলেন,‘ আটককৃতরাই হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত। তারা ইতোমধ্যে হত্যাকান্ডের দায় স্বীকারও করেছে’। তিনি জানান, তিনটি সূত্র ধরে হত্যাকান্ডের রহস্য অনুসন্ধানের পুলিশ তদন্ত করছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, স্থল বন্দরের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও আর্থিক বিষয়ের কারণে এ হত্যাকান্ড ঘটে থাকতে পারে। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। সেগুলোও তদন্ত করা হচ্ছে’।
পুলিশ নিহত মনিরুলের লাশ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য তা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
এদিকে বন্দর সূত্র জানিয়েছে, সোনামসজিদ স্থল বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যাবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সময়ই মনিরুল ইসলাম যুবলীগের রাজনীতির নেতৃত্বের যায়গায় চলে আসেন। সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হকের গ্রামের এলাকা শাহবাজপুরের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ওই সূত্র জানায়, ব্যক্তি জীবনে মনিরুল ছিল খুবই ষ্পষ্টবাদি। তিনি বন্দর এলাকায় গড়ে তোলেন বেশ প্রভাবও। সিএন্ডএফ ব্যবসার সূত্র ধরে খুব অল্প সময়ে প্রচুর টাকার মালিক হন।
ওই সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সোনামসজিদ স্থল বন্দরের চাঁদার টাকা নিয়ে মনোমালিন্য চলে আসছিল এ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে টাকার হিসেবে নিকেশ মনিরুলের কাছে থাকালেও হিসেবের বাইরে প্রচুর টাকা থেকে যায় এ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে।
অন্যদিকে, মনিরুলের হত্যাকান্ডের ঘটনায় সোনামসজিদ স্থল বন্দরে শনিবার অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। বন্দরের শ্রমিকসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ করে এবং বন্ধ করে দেয় আমদানী রপ্তনী কার্যক্রম। এই অচলাবস্থার কারণে ভারতের মহদিপুর স্থল বন্দরে আটক পড়েছে প্রায় ৮ শ পণ্যবাহি ট্রাক। বিক্ষোভের কারণে ট্রাক গুলো সোনামসজিদে ঢুকতে পারছেনা। সূত্র জানায়, সোনামসজিদ বন্দরে ঢোকার অপেক্ষায় থাকা ট্রাকগুলোর মধ্যে ১ শ টি রয়েছে ফলসহ পচনশীল দ্রব্যের।








.jpg)




%2B29-10-14.jpg)







27-10-14.jpg)



